📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টিকটকের সিইও শাও জি চ্যু: কীভাবে তরুণরা বিশ্বকে বদলে দিতে পারেন?

টিকটকের সিইও শাও জি চ্যু: কীভাবে তরুণরা বিশ্বকে বদলে দিতে পারেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিকটকের সিইও শাও জি চ্যু সিঙ্গাপুরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে তরুণদেরকে শিক্ষা, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিশ্বকে পরিবর্তন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষাই হলো সেই অমর পাসপোর্ট যা সীমানা ছাড়িয়ে নতুন বিশ্বের দরজা খুলে দেয়

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে টিকটকের সিইও শাও জি চ্যু তরুণদেরকে শিক্ষা, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিশ্বকে পরিবর্তন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার বক্তৃতায় তিনি বলেছেন, শিক্ষাই হলো সেই অমর পাসপোর্ট যা সীমানা ছাড়িয়ে নতুন বিশ্বের দরজা খুলে দেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শাও জি চ্যু বলেছেন, শিক্ষাই হলো সেই পাসপোর্ট যা সীমানা ছাড়িয়ে নতুন বিশ্বের দরজা খুলে দেয়।
  • 📌 তিনি সিঙ্গাপুরের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেখানে ভৌগোলিক সীমানা ছোট হলেও কৌতূহল ও প্রতিকূলতা জয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তার সম্ভব।
  • 📌 সিইও বলেছেন, তরুণদেরকে অজানাকে উদগ্রীব হয়ে জানতে হবে এবং অনিশ্চয়তাকে আপন করে নিতে হবে।
  • 📌 তিনি বলেছেন, শিক্ষার পাসপোর্টের সঙ্গে কৌতূহল রাখলে নতুন জগতের মানচিত্র খুলে দিতে পারে।
  • 📌 শাও জি চ্যু বলেছেন, সৃজনশীলতা ও ভেতরের আনন্দ বজায় রাখলে ক্যারিয়ারে সফলতা আসে।

📰 বিস্তারিত

১ আগস্ট সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে টিকটকের সিইও শাও জি চ্যু তরুণদেরকে শিক্ষা ও কৌতূহলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আজ এখানে দাঁড়িয়ে মনে পড়ে যাচ্ছে সিঙ্গাপুরে কাটানো আমার শৈশবের কথা। সেই অনিশ্চিত যাত্রার কথা, যা আমাকে আপনাদের সামনে এই মঞ্চে এনে দাঁড় করিয়েছে।” তিনি সিঙ্গাপুরের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, “শিক্ষাই হলো সেই পাসপোর্ট, যার কোনো মেয়াদ লেখা থাকে না। শিক্ষাই আপনার পৃথিবীর সীমানা বারবার নতুন করে তৈরি করে।”

শাও জি চ্যু বলেন, “আমি যখন ছোট, বাবা একটা ‘২৮৬’ (১৯৮০-এর দশকের জনপ্রিয় ব্যক্তিগত কম্পিউটার) কিনেছিলেন। সেটার সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতাম। কোডিং করে দুর্দান্ত কোনো সফটওয়্যার বানিয়ে ফেলেছিলাম, এমনটা বলতে পারলে ভালো লাগত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমি প্রচুর গেম খেলতাম। তবু কি–বোর্ডের সামনে কাটানো সেই সময়গুলো প্রযুক্তির প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়িয়ে দিয়েছিল।” তিনি বলেন, শিক্ষা ও কৌতূহলই হলো বিশ্বকে পরিবর্তন করার মূল শক্তি।

তিনি বলেন, “আপনারা কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন এক নতুন, অচেনা এআইয়ের যুগে। ইতিহাসের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আমরা দাঁড়িয়ে, যেখানে পরিবর্তন কেবল সাধারণ হারে নয়, চক্রবৃদ্ধি হারে ও অবিশ্বাস্য গতিতে ঘটছে। এই সময়টাকে আপনারা কীভাবে গ্রহণ করবেন? আমি বলব—অজানাকে উদগ্রীব হয়ে জানুন। এমন সব জায়গায় যুক্ত হোন, যেখানে আপনিই সবচেয়ে অনভিজ্ঞ। অনিশ্চয়তাকে আপন করে নিন। মেধাবী সহপাঠীদের নেটওয়ার্কের ওপর ভরসা রাখুন। কারণ, এরাই আপনার সমাজ বা কমিউনিটি, আর কঠিন সময়ে এই কমিউনিটি আমাদের টিকিয়ে রাখবে।”

"শিক্ষার ‘পাসপোর্ট’ আপনাকে যেখানেই নিয়ে যাক না কেন, কৌতূহল সঙ্গে রাখুন। কারণ, কৌতূহলই আপনাদের সামনে নতুন জগতের মানচিত্র খুলে দেবে। সবশেষে বলব, সৃজনশীলতা ও ভেতরের আনন্দকে বাঁচিয়ে রাখুন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি, সিঙ্গাপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাও জি চ্যু (টিকটকের সিইও)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (আগস্ট), ২৮৬ (১৯৮০-এর দশকের কম্পিউটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖