📌 মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল এআই ও ক্লাউড অবকাঠামো সম্প্রসারণে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে। ঋণ ও নতুন শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হবে, যা ২০৩০ অর্থবছরে আয় ২২৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সাহায্য করবে
মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল এআই ও ক্লাউড অবকাঠামো সম্প্রসারণে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় সোমবার (২ নভেম্বর) জমা দেওয়া নথিতে এ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ বিলিয়ন ডলারের নতুন শেয়ার বিক্রি এবং ১০ বিলিয়ন ডলারের বন্ড ছাড়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করবে। বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০২৯ থেকে ২০৪৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে শেয়ার ও বন্ডের বিক্রয়মূল্য এবং সুদের হার এখনো চূড়ান্ত হয়নি না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল এআই ও ক্লাউড অবকাঠামো সম্প্রসারণে ২০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে
- 📌 ১০ বিলিয়ন ডলার নতুন শেয়ার বিক্রি এবং ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ (বন্ড) ছাড়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হবে
- 📌 সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার: মূলধনি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ, অধিগ্রহণ, লভ্যাংশ প্রদান ও নিজস্ব শেয়ার পুনরায় কেনা
- 📌 ২০৩০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয় ২২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 বর্তমানে ওরাকলের মোট ঋণ ১২৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৬ অর্থবছরের আয় ৬৭.৩৬ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি
- 📌 শেয়ারবাজারে ওরাকলের শেয়ারের দাম ২ নভেম্বর প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়
📰 বিস্তারিত
ওরাকল জানিয়েছে, সংগৃহীত অর্থের অর্ধেক আসবে শেয়ার বিক্রি থেকে এবং বাকি অর্ধেক ঋণের মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটি আগামী ২০৩০ অর্থবছরের মধ্যে বার্ষিক আয় ২২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এআই প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ায় ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি এবং ক্লাউড সেবায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করছে ওরাকল। গত ২৮ অক্টোবর বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি ও পরবর্তী অর্থবছরে মূলধনি ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে ২০৩০ অর্থবছর পর্যন্ত এআই সম্প্রসারণে নতুন করে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।
ওরাকলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিলারি ম্যাক্সন জানিয়েছেন, ২০২৮ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিষ্ঠানটির নগদ প্রবাহ ইতিবাচক হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। ২০২৯ অর্থবছরে নগদ প্রবাহ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিপুল ঋণ ও এআই অবকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ওরাকলের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১২৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৬ অর্থবছরের আয় ৬৭.৩৬ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি।
শেয়ারবাজারে ওরাকলের শেয়ারের দাম ২ নভেম্বর প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়। চলতি বছর শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দর প্রায় ৩৩ শতাংশ কমেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এআই ব্যবসায় দ্রুত সম্প্রসারণের পাশাপাশি ঋণের বোঝা ও বিনিয়োগের বিপরীতে আয় নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন ওরাকলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
"সংগৃহীত অর্থ মূলধনি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ, অধিগ্রহণ, লভ্যাংশ প্রদান এবং নিজস্ব শেয়ার পুনরায় কেনাসহ বিভিন্ন করপোরেট কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে এআই ও ক্লাউড অবকাঠামো সম্প্রসারণই এ অর্থ সংগ্রহের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হিলারি ম্যাক্সন (ওরাকলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিলিয়ন ডলার (সংগ্রহের পরিকল্পনা), ১০ বিলিয়ন ডলার (শেয়ার ও ঋণ), ২২৫ বিলিয়ন ডলার (২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা), ১২৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার (বর্তমান ঋণ), ৬৭.৩৬ বিলিয়ন ডলার (২০২৬ সালের আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!