📌 প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে আগেভাগে সচেতনতা ও টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব। বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি জোর দিয়েছেন গ্রাম-শহর উভয় পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করার ওপর
বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার তুলা উন্নয়ন বোর্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, রোগ প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সচেতনতা ও টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় তিনি বলেন, শহরাঞ্চলে জলাতঙ্ক সম্পর্কে সচেতনতা বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলে এ বিষয়ে সচেতনতা কম থাকায় মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
- 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে সারাদেশে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে
- 📌 প্রান্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও কৃষক-খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হবে
- 📌 মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী
- 📌 বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য: ‘Stronger Together: একসাথে, আরও শক্তিশালী জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি’
📰 বিস্তারিত
প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “রোগ হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ করা চেয়ে রোগ প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আগেভাগে সচেতনতা তৈরি এবং যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।” সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক সম্পর্কে সচেতনতা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতা কম। ফলে সেখানে এ রোগে মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়। তাই শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়েও জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, “জনগণের কল্যাণ ও জনস্বার্থেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মানুষ খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা প্রাণীটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে। প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও সরাসরি জড়িত। তাই প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের প্রান্তিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপপরিচালক ডা. মো. আ. মান্নান মিয়া এবং পথ কুকুরের মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগ বিস্তার রোধ প্রকল্পের পরিচালক ডা. মেহেদি হাসান ভূঁইয়া। মূল প্রবন্ধে দেশে জলাতঙ্কের বর্তমান পরিস্থিতি, রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম, কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
"রোগ প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আগেভাগে সচেতনতা তৈরি এবং যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, তুলা উন্নয়ন বোর্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর (২০২৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!