📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরা: বেড়িবাঁধের ভাঙনে ১০-১২ গ্রাম প্লাবিত হতে পারে, স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিরোধ করছে

সাতক্ষীরা: বেড়িবাঁধের ভাঙনে ১০-১২ গ্রাম প্লাবিত হতে পারে, স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিরোধ করছে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন ঘটে। ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ধসে পড়লে ১০-১২টি গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিরোধ করছেন, কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেরি আশঙ্কাজনক

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর-কুড়িকাহুনিয়া এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে ভয়াবহ ভাঙন ঘটে। সকাল ৭টার দিকে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করে, যেখানে প্রায় ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ধসে নদী-খালের দিকে চলে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধ না করা গেলে ১০ থেকে ১২টি গ্রাম প্লাবিত হতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধে ৫০ মিটার ধসে পড়েছে
  • 📌 ভাঙন ঘটার পর স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে বালি ও মাটি ফেলে প্রতিরোধ করছেন
  • 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলা ও দেরি প্লাবনের আশঙ্কা বাড়িয়েছে
  • 📌 ওয়াবদা সড়কের অংশও ধসে পড়ায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, দ্রুত স্থায়ী সংস্কার না হলে বিপর্যয় হতে পারে

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর-কুড়িকাহুনিয়া এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধে সোমবার রাত ৩টার দিকে ভাঙন শুরু হয়। সকাল ৭টার দিকে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করে, যেখানে প্রায় ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ধসে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাঙন ঘটার পর থেকে তারা স্বেচ্ছাশ্রমে বালি ও মাটি ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ রক্ষার চেষ্টা করছেন। তবে তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া গেলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেন, “সারা বছর আমাদের নদীর সঙ্গে যুদ্ধ করে বাঁচতে হয়। মনের মধ্যে সবসময় ভয় থাকে ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলার কারণে আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারি না। এখনও গাছপালা ও ফসল হচ্ছে, কিন্তু যদি প্লাবিত হয়ে যায়, তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে। হাজার হাজার মৎস্যঘের পানিতে ভেসে যাবে।”

শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “সকাল থেকে স্থানীয় জনগণকে নিয়ে আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙন মোকাবিলায় কাজ করছি। দ্রুত বালি ভরাট করে ভাঙনস্থল মেরামত করা না গেলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভাঙনের পরই সাধারণত তারা কাজ শুরু করে। আগে থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।”

ভাঙনের পর আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুণ্ডু জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করার জন্য জানিয়েছি। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তারা দ্রুত কাজ শুরু করবে।”

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রওনা হয়েছে। আনুমানিক ৫০ মিটারের মতো বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খুব দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

"সারা বছর আমাদের নদীর সঙ্গে যুদ্ধ করে বাঁচতে হয়। মনের মধ্যে সবসময় ভয় কাজ করে কখন ঘরবাড়ি সব প্লাবিত হয়ে যায়।"
"দ্রুত বালি ভরাট করে ভাঙনস্থল মেরামত করা না গেলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলা, প্রতাপনগর ইউনিয়ন, শ্রীপুর-কুড়িকাহুনিয়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল খালেক, নূরে আলম সিদ্দিকী, শ্যামানন্দ কুণ্ডু, আব্দুর রহমান তাযকিয়া, স্থানীয় বাসিন্দারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ মিটার (বেড়িবাঁধের ভাঙন), ১০-১২ গ্রাম (প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা), ২৮ সেপ্টেম্বর (ভাঙনের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖