📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাইন্যান্স হ্যাকিং: কুখ্যাত হ্যাকার বলেন, চুরি করা ক্রিপ্টো হাতে নেওয়া গরম আলুর মতো ভয়ঙ্কর

বাইন্যান্স হ্যাকিং: কুখ্যাত হ্যাকার বলেন, চুরি করা ক্রিপ্টো হাতে নেওয়া গরম আলুর মতো ভয়ঙ্কর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাইন্যান্সে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের হামলায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার ক্রিপ্টো চুরি হয়। সাবেক হ্যাকার ইলিয়া লিখটেনস্টাইন বলেন, চুরি করা ক্রিপ্টো হাতে নেওয়া গরম আলুর মতো — ব্যবহার করা যায় না, কারণ ব্লকচেইনে লেনদেনের ট্রেস অবশ্যই থাকে

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের হামলায় প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয়। এই বড় ধরনের সাইবার হামলায় হ্যাকাররা কীভাবে চুরি করা অর্থ নিরাপদে পাচার করে এবং কেন তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়, তা ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক কুখ্যাত হ্যাকার ইলিয়া লিখটেনস্টাইন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয় বাইন্যান্স হামলায়, হ্যাকারদের উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে
  • 📌 সাবেক হ্যাকার ইলিয়া লিখটেনস্টাইন বলেন, চুরি করা ক্রিপ্টো হাতে নেওয়া গরম আলুর মতো — ব্যবহার করা যায় না, কারণ ব্লকচেইনে লেনদেনের ট্রেস অবশ্যই থাকে
  • 📌 হ্যাকাররা ৪৮ ঘণ্টাের মধ্যে চুরি করা অর্থ ছোট ছোট অঙ্কে ভাগ করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে দেয়, যা শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে
  • 📌 চেইন হপিং পদ্ধতিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্থানান্তর করে লেনদেনের সূত্র আড়াল করার চেষ্টা করা হয়
  • 📌 এআই ব্যবহারের কারণে ক্রিপ্টো পাচারের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন লিখটেনস্টাইন

📰 বিস্তারিত

বাইন্যান্স হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের প্রচলিত কৌশল ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে করেন লিখটেনস্টাইন। তিনি বলেন, হ্যাকাররা সাধারণত নিরাপত্তাব্যবস্থার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা লক্ষ্য করে। সরাসরি প্ল্যাটফর্মে হামলা না চালিয়ে তারা প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মীকে ফিশিংয়ের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে। ওই কর্মীকে দিয়ে ক্ষতিকর সফটওয়্যার ডাউনলোড করিয়ে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় প্রবেশের পথ তৈরি করা হয়।

লিখটেনস্টাইন, যিনি ২০২৩ সালে বিটফিনেক্স হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি হওয়া প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারের অর্থ পাচারের ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন, বলেন, চুরি করা অর্থের গতিপথ শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। প্রথম ৪৮ ঘণ্টা হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যে হ্যাকাররা অর্থ ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে দেয়। এআইয়ের সহায়তায় এসব কাজ অত্যন্ত দ্রুত করা সম্ভব, ফলে অর্থের গতিপথ শনাক্ত করা তত কঠিন হয়ে পড়ে।

লিখটেনস্টাইন বলেন, ব্লকচেইনে লেনদেনের তথ্য প্রকাশ্য হওয়ায় চুরি করা ক্রিপ্টোকারেন্সির গতিবিধি অনুসরণ করা সম্ভব। তবে হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে দ্রুত অর্থের গতিপথ আড়াল করা এবং কোনোভাবে সেটিকে বৈধ অর্থে রূপান্তর করা। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিটফিনেক্স থেকে একপর্যায়ে এক লাখের বেশি বিটকয়েন চুরি করার পর তিনি বিভিন্ন ক্রিপ্টো বিনিময় প্ল্যাটফর্মে একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। কিছু অ্যাকাউন্টে নিজের পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন, অন্যগুলোতে ভুয়া পরিচয় বা সহায়তাকারীদের পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন। এরপর ছোট ছোট অঙ্কে অর্থ জমা দিয়ে সেগুলো অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করেছিলেন।

"চুরি করা অর্থ যেন হাতে নেওয়া গরম আলু। হাতে থাকলেও তা ব্যবহার করা যায় না, কারণ যে কোনো মুহূর্তে নজরদারির আওতায় চলে আসতে পারে।"

লিখটেনস্টাইন আরও বলেন, অপরাধ করে অর্থ উপার্জন কখনোই লাভজনক নয়। ব্লকচেইনে একবার কোনো লেনদেনের তথ্য যুক্ত হলে তা স্থায়ীভাবে থেকে যায়। ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বহু বছর আগের লেনদেনও শনাক্ত করা সম্ভব। তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সির নিরাপত্তার জন্য এআইকে বড় ধরনের হুমকি বলে মনে করেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাইন্যান্স (বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়া লিখটেনস্টাইন (সাবেক হ্যাকার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬.৩ বিলিয়ন ডলার (চুরি করা ক্রিপ্টো), ৪৫০ কোটি ডলার (বিটফিনেক্স হ্যাকিং), ৪৮ ঘণ্টা (অর্থ শনাক্তের গুরুত্বপূর্ণ সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖