📌 ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক আলোচনার ৭টি শর্ত পেশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায়, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছে। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই রাশিয়া সফরে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণ না হলে আলোচনা শুরু হবে না
ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি পারমাণবিক আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে এবং সাতটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের উত্তেজনা আবারো তীব্র হয়ে উঠেছে। ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এই প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে, তবে কোনো বিস্তারিত মন্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **কাতার মধ্যস্থতায়** ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে এবং **৭টি শর্ত** জুড়ে দিয়েছে।
- 📌 ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা **মহসেন রেজাই** রাশিয়া সফরে বলেছেন, **"কূটনীতির বিষয়ে আমরা আমেরিকানদের সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতদিন তারা আমাদের এই সাত শর্ত বাস্তবায়ন না করবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না এবং কোনো আলোচনাতেও বসব না"**।
- 📌 ইরানের মূল শর্তের মধ্যে রয়েছে **মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ** দেওয়া।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া হিসেবে জানানো হয়েছে, **কোনো শর্ত পূরণ ছাড়াই** পারমাণবিক আলোচনার বিষয়টি আলোচনার শুরুতেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
- 📌 **২৮ ফেব্রুয়ারি** ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরান **ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা** চালায়।
- 📌 **ইয়েমেনে** ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বিমানবন্দরসহ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে।
- 📌 **মধ্যস্থতাকারীরা** লড়াই বন্ধে তোড়জোড় বাড়িয়েছেন, কিন্তু **প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প** সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি।
📰 বিস্তারিত
ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। তবে ইরানের কর্মকর্তা কোনো বিস্তারিত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায়, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছে।
মহসেন রেজাই রাশিয়া সফরে বলেছেন, **"কূটনীতির বিষয়ে আমরা আমেরিকানদের সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতদিন তারা আমাদের এই সাত শর্ত বাস্তবায়ন না করবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না এবং কোনো আলোচনাতেও বসব না।"** ইরানের শর্তের মধ্যে রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া হিসেবে জানানো হয়েছে যে, কোনো শর্ত পূরণ ছাড়াই পারমাণবিক আলোচনার বিষয়টি আলোচনার শুরুতেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। গত **২৮ ফেব্রুয়ারি** ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরান **ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা** চালায়। পরে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
সাম্প্রতিক সময়ে এই সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে **ইয়েমেনেও**। সেখানে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে। মধ্যস্থতাকারীরা লড়াই বন্ধে তোড়জোড় বাড়িয়েছেন, কিন্তু **প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প** সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি।
"কূটনীতির বিষয়ে আমরা আমেরিকানদের সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতদিন তারা আমাদের এই সাত শর্ত বাস্তবায়ন না করবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না এবং কোনো আলোচনাতেও বসব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), রাশিয়া, ইরান, ইসরায়েল, সৌদি আরব, ইয়েমেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহসেন রেজাই (ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা), ডনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি শর্ত, ২৮ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!