📌 ৯ সেপ্টেম্বর কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে অনুষ্ঠিত বিশেষ ইভেন্টে অ্যাপল প্রথমবারের মতো ফোল্ডেবল ফোন ‘আইফোন ডুও’ উন্মোচন করে। ফোনটির ৭.৬ ইঞ্চি স্ক্রিন এবং ১৯৯৯ ডলারের দামের পাশাপাশি নতুন সিইও জন টার্নাসের নেতৃত্বে আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্সের ঘোষণা দেওয়া হয়।
৯ সেপ্টেম্বর বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে অনুষ্ঠিত বিশেষ ইভেন্ট ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’-এ অ্যাপল প্রযুক্তির দুনিয়াকে চমকে দিয়ে নিজেদের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন ‘আইফোন ডুও’ উন্মোচন করে। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাসের নেতৃত্বে এটিই ছিল অ্যাপলের প্রথম বড় আয়োজন। ইভেন্টে অ্যাপলের নতুন ডিভাইস ও প্রযুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আইফোন ডুও** নামের ফোল্ডেবল ফোনে ৫.৪ ইঞ্চি ও ৭.৬ ইঞ্চি দুটি স্ক্রিন রয়েছে, যা বইয়ের মতো খোলা-বন্ধ করা যায়
- 📌 ফোনটির দাম ১৯৯৯ ডলার (প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা) এবং ১৬ অক্টোবর থেকে প্রি-অর্ডার শুরু হবে, ২৩ অক্টোবর থেকে বাজারে আসবে
- 📌 পুরোপুরি খোলার পর এটি অ্যাপলের সবচেয়ে পাতলা ফোন হিসেবে দাবি করা হয়েছে, টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি
- 📌 নতুন আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্সে ‘এ২০ প্রো’ প্রসেসর যুক্ত করা হয়েছে, যা এআই ও গেমিং কাজে দ্রুততর
- 📌 আইফোন ১৮ প্রোতে ২৪ ঘণ্টা ব্যাটারি সক্ষমতা, প্রো ম্যাক্সে ৩০ ঘণ্টা, এবং নতুন ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ ফিচার যুক্ত
- 📌 ফোল্ডেবল ফোনের স্থায়িত্ব প্রমাণে বলা হয়, এটি প্রায় ২ লাখবার ভাঁজ করা যায়
📰 বিস্তারিত
৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইভেন্টে অ্যাপল তাদের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন ‘আইফোন ডুও’ উন্মোচন করে। ফোনটির নকশা পাসপোর্টের মতো, যা বইয়ের মতো সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়। ফোনটির সামনের অংশে ৫.৪ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে রয়েছে, কিন্তু পুরোপুরি খোলার পর ৭.৬ ইঞ্চির বিশাল স্ক্রিন দেখা যায়। এই স্ক্রিন মুভি দেখা, গেম খেলা বা একসঙ্গে নানা কাজ করার জন্য উপযোগী। অ্যাপল জানায়, পুরোপুরি খোলার পর ডুও হবে তাদের তৈরি করা এযাবৎকালের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। ফোনটি টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি এবং স্টার হোয়াইট ও নাইট স্কাই রঙে পাওয়া যাবে।
ফোনটির দাম ১৯৯৯ ডলার (প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা) রাখা হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরু হবে এবং ২৩ অক্টোবর থেকে এটি বাজারে পাওয়া যাবে। ফোনটি পুরোপুরি না খুলে অর্ধেক ভাঁজ করা অবস্থাতেও ব্যবহার করা যাবে।
ইভেন্টে অ্যাপল আরও ঘোষণা দেয় আইফোন ১৮ সিরিজের নতুন ফিচারসহ ‘আইফোন ১৮ প্রো’ ও ‘১৮ প্রো ম্যাক্স’। এই ফোন দুটিতে আগের বছরের ‘১৭ প্রো’ ও ‘প্রো ম্যাক্স’-এর মতো বাইরের ডিজাইন রাখা হয়েছে, কিন্তু ভেতরে নতুন ও দ্রুতগতির ‘এ২০ প্রো’ প্রসেসর যুক্ত করা হয়েছে। উন্নত সিপিইউ, জিপিইউ ও নিউরাল ইঞ্জিনের কারণে এগুলো গেমিং ও এআই কাজে দ্রুততর। নতুন আইফোন ১৮ প্রোতে ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে — প্রোতে ২৪ ঘণ্টা ও প্রো ম্যাক্সে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে। এছাড়া ছবি তোলার অ্যাপারচার পরিবর্তন এবং ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামের নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ছবি চিনতে সাহায্য করবে।
ফোল্ডেবল ফোনের স্থায়িত্ব প্রমাণে বলা হয়, এটি প্রায় ২ লাখবার অনায়াসে ভাঁজ করা যায়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ফোল্ডেবল ফোনগুলো এখনও বড় জায়গা তৈরি করতে পারেনি।
"আইফোন ডুও ফোনটির ভেতরের নকশা অনেকটা পাসপোর্টের মতো। এটি বইয়ের মতো সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়া (অ্যাপল পার্ক)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সিইও জন টার্নাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.৬ ইঞ্চি (স্ক্রিন), ১৯৯৯ ডলার (দাম), ২ লাখবার (ভাঁজের স্থায়িত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!