📌 কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে তরুণ কর্মীরাই এগিয়ে থাকলেও তাঁদের মধ্যে প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে জেনারেশন এক্সের কর্মীরা এআইকে নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন। গ্লাসডোর ও স্ট্যানফোর্ডের গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চিত্র।
কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তরুণ কর্মীরাই বেশি এগিয়ে থাকলেও তাঁদের মধ্যে প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে জেনারেশন এক্সের কর্মীরা এআইকে নতুন সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন। চাকরি ও কর্মক্ষেত্রবিষয়ক ওয়েবসাইট গ্লাসডোরের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে তরুণ কর্মীরাই বেশি এগিয়ে থাকলেও তাঁদের মধ্যে প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে।
- 📌 জেনারেশন এক্সের কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে।
- 📌 স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, এআইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী কর্মীদের ওপর।
- 📌 গ্লাসডোরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব বেশি।
📰 বিস্তারিত
গ্লাসডোরের গবেষণায় কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মনোভাব লক্ষ করা গেছে। ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সী কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে তুলনামূলক বেশি ইতিবাচক মনোভাব দেখা যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক কর্মী তাঁদের প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। তাঁদের ধারণা, এআইয়ের ব্যবহার বাড়ার ফলে জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে জেনারেশন জেডের কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কর্মী এআইকে ইতিবাচকভাবে দেখেন না। গ্লাসডোরের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ক্রিস মার্টিন জানিয়েছেন, কর্মজীবনে যাঁরা তুলনামূলক বেশি অভিজ্ঞ, তাঁরা এআইয়ের প্রভাবে কিছুটা বেশি সুরক্ষিত অবস্থানে রয়েছেন।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, এআইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী কর্মীদের ওপর। গবেষণায় বলা হয়েছে, এআইয়ের প্রভাবে কিছু ক্ষেত্রে তরুণদের প্রবেশ পর্যায়ের চাকরি কমে যাচ্ছে। গ্লাসডোরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী কর্মীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব বেশি।
"কর্মজীবনে যাঁরা তুলনামূলক বেশি অভিজ্ঞ, তাঁরা এআইয়ের প্রভাবে কিছুটা বেশি সুরক্ষিত অবস্থানে রয়েছেন। অভিজ্ঞ কর্মীরা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল থেকে তুলনামূলক ভালো ফল পেতে পারেন। তাঁরা নির্দিষ্ট ও কার্যকর নির্দেশনা বা প্রম্পট তৈরি করতে বেশি দক্ষ। একই সঙ্গে এআইয়ের তৈরি ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করার মতো প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাও তাঁদের রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কর্মক্ষেত্র (গ্লোবাল স্টাডি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস মার্টিন (গ্লাসডোরের অর্থনীতিবিদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ থেকে ৬০ বছর, ২২ থেকে ২৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!