📌 ওপেনএআই, গুগল, মাইক্রোসফট ও অ্যানথ্রোপিক একক নির্দেশনা দিয়ে সংবাদমাধ্যমের কনটেন্ট সংগ্রহ বন্ধের ব্যবস্থা চালু করবে। মাইক্রোসফট ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, গুগল ও ওপেনএআই আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে। নিউইয়র্ক টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যম এআই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করে ছিল
বিশ্বের চারটি প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান—ওপেনএআই, গুগল, মাইক্রোসফট ও অ্যানথ্রোপিক—এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য সংবাদমাধ্যম ও ওয়েবসাইটের কনটেন্ট সংগ্রহ বন্ধের জন্য একক ব্যবস্থা চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তারা জানায়, প্রকাশকদের একক নির্দেশনা দিয়ে তাদের ওয়েবসাইটের কনটেন্ট সংগ্রহ বন্ধের ব্যবস্থা করা যাবে। বর্তমানে প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদাভাবে বটের প্রবেশ বন্ধের নির্দেশনা দিতে হয়। নতুন ব্যবস্থায় একক নির্দেশনা দিয়ে সব এআই কোম্পানির বটকে একসাথে কনটেন্ট সংগ্রহ থেকে বিরত রাখা যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ওপেনএআই, গুগল, মাইক্রোসফট ও অ্যানথ্রোপিক একক নির্দেশনা দিয়ে সংবাদমাধ্যমের কনটেন্ট সংগ্রহ বন্ধের ব্যবস্থা চালু করবে
- 📌 মাইক্রোসফট ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, গুগল ও ওপেনএআই আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে
- 📌 নিউইয়র্ক টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যম এআই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করে ছিল
- 📌 ক্লাউডফ্লেয়ার ২০২৫ সালের জুলাই থেকে নতুন গ্রাহকদের জন্য ডিফল্টভাবে এআই বটের প্রবেশ বন্ধের ব্যবস্থা চালু করেছে
- 📌 প্রকাশকদের কনটেন্ট এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহার না করার ফলে এআই অ্যাপে তাদের কনটেন্ট দেখানোর সুযোগ কমে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহকারী বটের সংখ্যা দ্রুত বাড়ার সাথে সাথে সংবাদমাধ্যম ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিরোধও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যম এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিউইয়র্ক টাইমস ওপেনএআই ও মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে মামলা করে। পত্রিকাটির অভিযোগ ছিল, অনুমতি বা অর্থ পরিশোধ ছাড়াই তাদের লাখ লাখ প্রতিবেদন ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে ওপেনএআই ও মাইক্রোসফট কপিরাইট আইনের ‘ফেয়ার ইউজ’ বা ন্যায্য ব্যবহারের বিধানের কথা উল্লেখ করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে।
এই নতুন ব্যবস্থা শুধু ভবিষ্যতে এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য কনটেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এটি ওয়েবসাইটে বটের স্বাভাবিক প্রবেশ বা তথ্য সংগ্রহ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। প্রকাশকদের নিজস্ব সেটিংস পরিবর্তন না করা পর্যন্ত কনটেন্ট সংগ্রহের অনুমতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু থাকবে। মাইক্রোসফট ও গুগল সতর্ক করে বলেছে, প্রকাশকরা যদি তাদের কনটেন্ট এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহার করতে না চায়, তাহলে এআই অ্যাপ ও অন্যান্য সেবায় সেই প্রকাশকের কনটেন্ট দেখানোর সুযোগ কমে যেতে পারে।
এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে মেটাও। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘একটি অভিন্ন সংকেত বা নির্দেশনা তৈরি করা, যার মাধ্যমে একইসাথে একাধিক সেবাদাতাকে কনটেন্ট ব্যবহারের বিষয়ে প্রকাশকদের পছন্দ জানানো যাবে, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ তিনি বলেন, এ খাতের অন্যান্য এআই প্রতিষ্ঠানের সাথে এ ধরনের মানদণ্ড তৈরি ও বাস্তবায়নে কাজ করতে তারা আগ্রহী।
"একটি অভিন্ন সংকেত বা নির্দেশনা তৈরি করা, যার মাধ্যমে একইসাথে একাধিক সেবাদাতাকে কনটেন্ট ব্যবহারের বিষয়ে প্রকাশকদের পছন্দ জানানো যাবে, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (নিউইয়র্ক টাইমসের মামলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকাশকদের, ওপেনএআই, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যানথ্রোপিক, অ্যান্ডি স্টোন (মেটা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!