📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১০ বছরের ৮০ কোটি খরচে তৈরি ১২টি বাংলা সফটওয়্যার: কেনো জনগণের কাছে পৌঁছায়নি?

১০ বছরের ৮০ কোটি খরচে তৈরি ১২টি বাংলা সফটওয়্যার: কেনো জনগণের কাছে পৌঁছায়নি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলা ভাষার তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পে ১০ বছরে ৮০ কোটি টাকা খরচে ১২টি সফটওয়্যার তৈরি হলেও, এগুলো জনগণের কাছে সহজলভ্য হয়নি। আইসিটি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেছেন, প্রকল্পের টুলগুলো ব্যবহারবান্ধব করার জন্য কাজ চলছে

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার সহজ করার লক্ষ্যে ১০ বছরের মেয়াদে ৮০ কোটি টাকা খরচে তৈরি করা ১২টি সফটওয়্যার এখনও জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) পরিচালিত ‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এ সফটওয়্যারের উন্নয়ন ঘটেছে। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ১৫৮ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬০ কোটি টাকা সফটওয়্যার উন্নয়ন, হোস্টিং ও সংরক্ষণে ব্যয় হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০ বছরে ৮০ কোটি টাকা খরচে ১২টি সফটওয়্যার তৈরি হলেও, এগুলো জনগণের কাছে সহজলভ্য হয়নি
  • 📌 প্রকল্পের উদ্বোধন ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর করলেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, যিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন
  • 📌 প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ১৫৮ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬০ কোটি টাকা সফটওয়্যার উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে
  • 📌 সরকারি সেবা সম্পর্কে তথ্য জানাতে ‘জিজ্ঞাসা’ নামের এআই চ্যাটবটের দৈনিক গড়ে ১১০টি অনুরোধ আসে
  • 📌 আইসিটি সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেছেন, প্রকল্পের টুলগুলোকে ব্যবহারবান্ধব করার জন্য কাজ চলছে

📰 বিস্তারিত

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে তিনবার। সর্বশেষ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৬টি সফটওয়্যার ও টুল তৈরির পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ১০ বছরে মাত্র ১২টি সফটওয়্যার তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ওসিআর (ওপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন) সেবা, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য স্ক্রিন রিডার, ইশারাভাষা শনাক্তকরণ, ব্রেইল কনভার্টার, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার তথ্যভান্ডার, বাংলা ফন্ট ও কিবোর্ড।

প্রকল্পের উদ্বোধনকালে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছিলেন, ‘আমরা ভাষাকে উন্মুক্ত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারকে কাজে লাগাতে চাই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাগজ টুলসের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করা যাবে।’ তবে প্রকল্পের সফটওয়্যারের ব্যবহার খুবই সীমিত। উদাহরণস্বরূপ, সরকারি সেবা সম্পর্কে তথ্য জানাতে ব্যবহৃত ‘জিজ্ঞাসা’ নামের এআই চ্যাটবটের দৈনিক গড়ে মাত্র ১১০টি অনুরোধ আসে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত গুগল লেন্স বা অন্যান্য বিনামূল্যে অ্যাপের তুলনায় এই সেবাগুলোর জনপ্রিয়তা খুবই কম।

আইসিটি সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু টুল তৈরি করা হয়েছে। তবে সব কটি কাজ যে খুব অর্থবহ হয়েছে, তা আমি বলব না। প্রকল্পের টুলগুলো মানুষের কাছে যেভাবে পৌঁছানোর কথা ছিল, সেভাবে পৌঁছাতে পারেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘টুলগুলোকে কীভাবে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে মানুষের কাছে ব্যবহারবান্ধব করা যায়, আমরা তা নিয়ে কাজ করছি।’

"আমরা ভাষাকে উন্মুক্ত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারকে কাজে লাগাতে চাই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাগজ টুলসের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করা যাবে।"

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রকল্পের টুলগুলো প্রাথমিক পর্যায়ের এবং এগুলোর সেবা সাধারণ মানুষের জন্য পুরোপুরি চালু বা সহজলভ্য নয়। প্রকল্পের বিভিন্ন সেবার ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এগুলোর ব্যবহার খুবই সীমিত। প্রকল্পের ব্যয়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তারা বলেন, কোনটি তৈরিতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে দেখানো দরকার।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, মামুনুর রশীদ ভূঞা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ কোটি টাকা (ব্যয়), ১২টি সফটওয়্যার, ১০ বছর (মেয়াদ), ১৫৮ কোটি টাকা (মোট বরাদ্দ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖