📌 যশোরের ঐতিহ্যবাহী শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে। ৬৭ বছর পর এই স্টেডিয়ামের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে, যা ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন আশা জাগিয়েছে
যশোরের ঐতিহ্যবাহী শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে নতুন প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের উন্নয়ন প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে। এই বরাদ্দের মাধ্যমে ৬৭ বছর পর স্টেডিয়ামের সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে।
- 📌 বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বিশেষ উদ্যোগে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে।
- 📌 স্টেডিয়ামের মোট জমির পরিমাণ ছয় একর ৯৫ শতক, যার মধ্যে মাঠের আয়তন পাঁচ একর ৯১ শতক।
- 📌 বর্ষা মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকায় বছরের প্রায় সাত মাস খেলার অনুপযোগী থাকে স্টেডিয়াম।
- 📌 অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার সাকিব বলেছেন, ‘যশোরে প্রতিভার অভাব নেই, বরং সুযোগ-সুবিধার ঘাটতিই বড় সমস্যা’।
📰 বিস্তারিত
যশোর জেলা শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অর্থ বিভাগের আর্থিক সম্মতি পেয়েছে। এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় সর্বোচ্চ ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-১ শাখা থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘যশোর জেলা শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন’ প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
১৯৫৯ সালের ১৫ জানুয়ারি স্টেডিয়ামের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। কিন্তু ৬৭ বছর ধরে অবহেলার শিকার হয়ে এখন স্টেডিয়ামের অবস্থা জরাজীর্ণ। স্টেডিয়ামের মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখে অনেক সময় মাঠকে খেলার মাঠ নাকি জলাশয় বলে বোঝা যায় না। বর্ষা মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকায় বছরের প্রায় সাত মাস খেলার অনুপযোগী থাকে। মাঠের পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেও দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্টেডিয়ামের গ্যালারির ফেন্সির বিভিন্ন অংশে জড়িয়ে আছে লতাপাতা এবং গ্যালারি ও এর সামনের অংশ আগাছায় ভরে গেছে। গ্যালারির বাইরের অংশ এবং ভবনের বিভিন্ন জায়গাতেও আগাছা জন্মেছে। স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে অনেক সময় অনুশীলন বা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা সম্ভব হয় না।
"যশোরে প্রতিভার অভাব নেই, বরং সুযোগ-সুবিধার ঘাটতিই বড় সমস্যা। ঢাকা থেকে যশোরে আসলে অনুশীলনের কোনো উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যেত না।"
অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার সাকিব বলেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘উন্নত টার্ফ, ভালো ড্রেনেজ এবং আধুনিক জিমনেসিয়াম না থাকায় এখানকার ক্রিকেটারদের অনুশীলনে নানা বাধা পেরোতে হতো।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর জেলা শামস-উল-হুদা স্টেডিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (প্রতিমন্ত্রী), শাহরিয়ার সাকিব (ক্রিকেটার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা (বরাদ্দ), ৬৭ বছর (অবহেলা), ৬ একর ৯৫ শতক (মোট জমি), ৫ একর ৯১ শতক (মাঠের আয়তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!