📌 বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর তুরুগু স্বং এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া বিশাল পাথর নৌযান চলাচলকে বিপদে ফেলেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, পাথরগুলো অপসারণ না করলে নৌকাডুবি ও প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে। বিজিবি ও ইউনিয়ন পরিষদ সংস্কার কাজের উদ্যোগ নিচ্ছে
বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর তুরুগু স্বং এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া বিশাল পাথরের স্তূপ নৌযান চলাচলকে বিপদে ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বর্ষা মৌসুমে আরও তীব্র হয়ে উঠবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর তুরুগু স্বং এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া পাথর নৌযান চলাচলকে বিপদে ফেলেছে
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, পাথরগুলো অপসারণ না করলে নৌকাডুবি ও প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 ২০২৪ সালে বড়মদক এলাকায় নদীভাঙনে গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে
- 📌 বিজিবি ১৭ ইসিবিসহ যৌথভাবে পাথরগুলো অপসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে, জানুয়ারিতে কাজ শুরু হবে
- 📌 রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা (রনি) জানান, বিষয়টি পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর তুরুগু স্বং এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া বিশাল পাথর নৌযান চলাচলকে বিপদে ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বর্ষা মৌসুমে আরও তীব্র হয়ে উঠবে। স্থানীয়রা জানান, নদীর তলদেশে পাথরের স্তূপের কারণে প্রতিদিন ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল করছে। তবে কোনো স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা বা ঝুঁকিপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নেই।
ইঞ্জিনচালিত নৌকার চালক ওয়াইন মংসিং মারমা বলেন, ‘বর্ষায় তীব্র স্রোতের কারণে তুরুগু স্বং এলাকা পার হওয়া খুবই কঠিন। শুষ্ক মৌসুমেও নদীর তলদেশে থাকা বড় পাথরের কারণে ঝুঁকি থাকে। স্রোতের টানে নৌকা নিয়ন্ত্রণ হারালে মুহূর্তেই পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, স্রোত কমলেও তুরুগু স্বংয়ের বিপদ কমেনি। নদীর বুকজুড়ে থাকা বিশাল পাথরের কারণে নৌ চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে নদীর গতিপথও পরিবর্তন হয়েছে। পাথরগুলো অপসারণ করা গেলে পুরোনো নৌপথ ফিরে আনা সম্ভব।
রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা (রনি) জানান, ‘তুরুগু স্বংয়ে কয়েকটি বিশাল পাথর পড়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এতে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে জানিয়ে সংস্কারের আবেদন করা হয়েছে।’
বিজিবির বান্দরবান জোনের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, ‘২০২৪ সালে বড়মদক এলাকায় সাঙ্গু নদীর ভাঙনে গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সম্প্রতি ওই এলাকায় টহল দলের একটি নৌকাও ডুবে যায়। খরস্রোতে তলিয়ে যাওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধারে চার দিন সময় লেগেছে।’
"বর্ষায় তীব্র স্রোতের কারণে তুরুগু স্বং এলাকা পার হওয়া খুবই কঠিন। শুষ্ক মৌসুমেও নদীর তলদেশে থাকা বড় পাথরের কারণে ঝুঁকি থাকে। স্রোতের টানে নৌকা নিয়ন্ত্রণ হারালে মুহূর্তেই পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা, থানচি উপজেলা, সাঙ্গু নদী, তুরুগু স্বং এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াইন মংসিং মারমা (নৌকার চালক), মুইশৈথুই মারমা (রনি) (রেমাক্রী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান), কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল (বিজিবি সেক্টর কমান্ডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (ইসিবিসহ যৌথ দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!