📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ১৩ জেলার ১ হাজার ৪৭২ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায়। উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ বলেছেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ আজ সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে। সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার বিভিন্ন কলেজের ১ হাজার ৪৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। প্রতিযোগিতায় জেলার সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে
- 📌 ১৩ জেলার ১ হাজার ৪৭২ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায়
- 📌 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় জোর দেওয়া হচ্ছে
- 📌 ৮ সেপ্টেম্বর সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 বিজয়ী দলগুলি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন
📰 বিস্তারিত
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, ‘শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনা নয়, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আনন্দময় ও মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্রীড়াচর্চার জোয়ার সৃষ্টি করা সম্ভব হলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে।’
ড. আমানুল্লাহ আরও বলেছেন, ‘আমাদের অনেকেরই শৈশব হারিয়ে গেছে। এখন আমরা আবার সেই শৈশবকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সারা দেশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে চাই।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, ঢাকা বিভাগ দিয়ে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া আয়োজন পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য সাত বিভাগেও অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে তাকে যুক্ত হতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এসব কার্যক্রমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।’
"শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনা নয়, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দময় ও মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে চায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।" — উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠ, মোহাম্মদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ জেলা, ১ হাজার ৪৭২ শিক্ষার্থী, ৩ দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা, ৮ সেপ্টেম্বর সমাপনী অনুষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!