📌 লিওনেল মেসির অবসরের খবরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আবেগে ভেসেছে। ফুটবল থেকে শুরু করে হকি, সাঁতার, অ্যাথলেটিকসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ক্রীড়াবিদরা তাঁর বিদায়ে শোক প্রকাশ করেছেন। মেসির খেলা দেখে অনুপ্রাণিত হওয়া ক্রীড়াবিদরা জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁকে কখনো ভুলতে পারবেন না
ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এক ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়েছিল বাংলাদেশ। সেদিন নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর খেলা দেখার জন্য স্টেডিয়ামে জমেছিল হাজারো মানুষ। দেড় দশক পর সেই মেসিই জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়েছেন। সময়ের সাথে সাথে তাঁর চেহারা বদলেছে, তবে বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে তাঁর স্থান রয়ে গেছে অটুট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেসির অবসরের খবরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আবেগে ভেসেছে
- 📌 ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে মেসিকে দেখতে মানুষের ঢল নামে
- 📌 হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম মেসিকে দেখেছেন তাঁর শৈশবের অনুপ্রেরণা হিসেবে
- 📌 ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি জানান, মেসির বিদায় তাঁর কাছে ব্যক্তিগত আবেগের বিষয়
- 📌 সাবেক ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলাম মেসিকে বর্ণনা করেছেন একজন শিল্পী হিসেবে
- 📌 অ্যাথলেট মোহাম্মদ ইসমাইল মেসিকে তুলনা করেছেন একজন অতিমানব হিসেবে
- 📌 মেসির বিদায়ে বিশ্ব ফুটবলে তৈরি হয়েছে বিরাট শূন্যতা
📰 বিস্তারিত
২০১১ সালের সেই দিনটির কথা মনে করিয়ে দেন হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মেসিকে প্রথম দেখেছিলাম ২০১০ বিশ্বকাপে। তাঁর খেলা দেখে তখন থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে যাই। শেষবার তাঁকে দেখেছি এবারের বিশ্বকাপে। জাতীয় দলের হয়ে তাঁকে আর দেখতে পাব না।’ আমিরুলের মতো অনেক ক্রীড়াবিদই মেসির খেলা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তাঁদের কাছে মেসি শুধু একজন খেলোয়াড় নয়, অনুপ্রেরণার উৎস।
ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি জানান, মেসির বিদায় তাঁর কাছে খুবই আবেগের। তিনি বলেন, ‘মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি বিশ্ব ফুটবলকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ছাড়া আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখতে গিয়ে অনেকেরই চোখে পানি চলে আসবে।’ এমিলি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ গোল করেছেন। তাঁর কাছে মেসির বিদায় ব্যক্তিগত আবেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।
সাবেক ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলাম মেসিকে বর্ণনা করেন একজন শিল্পী হিসেবে। তিনি বলেন, ‘মেসির খেলা দেখে বিশ্ব তাক লেগে গিয়েছিল। তাঁর নান্দনিক খেলা, সুন্দর অ্যাসিস্ট, পাস এবং গোল করার ক্ষমতা সারা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে। এমন খেলোয়াড় যুগে যুগেও আসে না।’ আসলামের মতো অনেকেই মনে করেন, মেসির আদর্শ অনুসরণ করে আরও দু-একজন তারকা তৈরি হোক।
‘মেসির মতো ফুটবলার আর আসবে না। তিনি আমাদের অনেকেরই আইডল। তাঁর খেলা দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হতাম।’ — অ্যাথলেট মোহাম্মদ ইসমাইল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল মেসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ গোল (এমিলির), ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!