📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অস্ট্রেলিয়া সফরের পর মাঞ্জরেকারের সমালোচনা বদলে

অস্ট্রেলিয়া সফরের পর মাঞ্জরেকারের সমালোচনা বদলে

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের পর ভারতের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সমালোচনা করেছিলেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। সেই লেখা পড়ে ক্ষুব্ধ হলেও তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে গড়ে তোলেন অশ্বিন। পরবর্তীতে তারই ফল হিসেবে তিনি হয়ে ওঠেন ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের লেখা একটি সমালোচনামূলক কলাম অশ্বিনের জীবনকে বদলে দিয়েছিল। ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের পর বিমানে ফেরার সময় সেই লেখাটি পড়েন অশ্বিন। তাঁর ফিটনেস, ফিল্ডিং ও বোলিং অ্যাকশনের ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মাঞ্জরেকার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে অশ্বিন নিয়েছিলেন মাত্র ৯ উইকেট
  • 📌 বিমানে ফেরার সময় পত্রিকায় প্রকাশিত মাঞ্জরেকারের লেখাটি পড়েন অশ্বিন
  • 📌 লেখাটিতে অশ্বিনের ফিটনেস ও বোলিং অ্যাকশনের সমালোচনা করা হয়েছিল
  • 📌 পরবর্তী চার বছর কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে গড়ে তোলেন অশ্বিন
  • 📌 ২০২৪ সালে অবসর নেওয়ার সময় অশ্বিনের নামের পাশে ছিল ১০৬ টেস্টে ৫৩৭ উইকেট

📰 বিস্তারিত

২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন মাত্র ৯ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই সফরে তিনি ১৬৮ ওভার বল করেছিলেন। ফেরার পথে বিমানে বসে পত্রিকায় প্রকাশিত সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের লেখাটি পড়েন অশ্বিন। লেখাটিতে তাঁর ফিটনেস, ফিল্ডিং ও বোলিং অ্যাকশনের ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

জিও হটস্টারের ‘চিকি সিঙ্গেলস’ অনুষ্ঠানে অশ্বিন জানান, লেখাটি পড়ে তিনি ক্ষুব্ধ ও কষ্ট পেয়েছিলেন। তবে সেই ক্ষোভকে নিজের ক্ষতির কারণ হতে দেননি তিনি। উল্টো নিজেকে চেনার আয়না হিসেবে নিয়েছিলেন সেই লেখাকে। পরবর্তী চার বছর তিনি ফিটনেস নিয়ে তুমুল পরিশ্রম করেন। কারণ, তিনি নিজেকে জন্মগতভাবে ক্ষিপ্র অ্যাথলেট হিসেবে বিবেচনা করতেন না।

২০১৫ সালে মাঞ্জরেকার আরেকটি নিবন্ধ লেখেন, যেখানে তিনি অশ্বিনের উন্নতির প্রশংসা করেন। সেই লেখা পড়ে অশ্বিন তাঁকে একটি বার্তা পাঠান। বার্তায় তিনি লেখেন, ‘আপনার সেই নিবন্ধটি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে।’ অশ্বিন আরও বলেন, তিনি সব সময় সমালোচনা থেকে শেখার চেষ্টা করেন।

‘আমি একবার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারকে মেসেজ করেছিলাম। আমার প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফরের পর তিনি লম্বা একটি কলাম লিখেছিলেন। দেশে ফেরার পথে আমি পুরোটাই পড়ি। পড়ার পর বেশ রাগ হয়েছিল, খারাপও লেগেছিল খুব। তবে বিষয়টিকে সেভাবে মাথায় পুষে রাখিনি। তাঁর সঙ্গে খুব একটা কথাও বলতাম না। পরের চার বছর আমি ফিটনেস নিয়ে তুমুল খাটুনি খেটেছিলাম। কারণ, আমি জন্মগতভাবে খুব ক্ষিপ্র অ্যাথলেট ছিলাম না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিচন্দ্রন অশ্বিন, সঞ্জয় মাঞ্জরেকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ ওভার, ৯ উইকেট, ১০৬ টেস্ট, ৫৩৭ উইকেট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖