📌 মহেশখালীর দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ফাতেমা আক্তার সার্ফিংয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর হন। সমাজের কটূক্তি ও পরিবারের বিরোধিতার মুখে তিনি জাতীয় প্রতিযোগিতায় নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন
মহেশখালীর একটি দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ফাতেমা আক্তার সার্ফিংয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর হন। বাবাকে হারিয়ে কক্সবাজারে আসার পর সৈকতে শামুক-ঝিনুক কুড়িয়ে পরিবারের জীবনযাপন নিশ্চিত করতেন। কিন্তু সেই মেয়েটি আজ সার্ফিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মহেশখালী থেকে কক্সবাজারে আসার পর শামুক-ঝিনুক কুড়িয়ে পরিবার চালাতেন ফাতেমা আক্তার
- 📌 প্রথম সার্ফিং চেষ্টায় ঢেউয়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আকাশে উড়ছেন
- 📌 সমাজের কটূক্তি ও পরিবারের বিরোধিতার মুখে ২৩ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হন
- 📌 কোচ রাশেদ আলমের উৎসাহে স্বপ্ন দেখতে শিখেন, মা-বাবার বিরোধিতাও কাটিয়ে উঠেন
- 📌 আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করার স্বপ্ন
📰 বিস্তারিত
মহেশখালীতে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ফাতেমা আক্তার বাবাকে হারিয়ে কক্সবাজারে আসেন। সৈকতে শামুক-ঝিনুক কুড়িয়ে পরিবারের জীবন চালাতেন। সেই পরিবারের মেয়ে সার্ফিংয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর হন।
ফাতেমা আক্তার বলেন, “ছোটবেলায় শুধু পড়াশোনা করতাম। কোনো স্বপ্ন ছিল না। কিন্তু সার্ফিং শুরু করার পর আমার চোখ খুলে গেল। কোচ রাশেদ আলম ভাই আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন। তাঁর কাছেই সার্ফিং শেখা। তিনি বলেছিলেন, স্বপ্ন থাকলে মানুষ অনেক দূর যেতে পারে।”
সার্ফিংয়ে প্রথম পদক্ষেপে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। কিন্তু বান্ধবীদের উৎসাহে তিনি আবার চেষ্টা করেন। প্রথম দিন ঢেউয়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আকাশে উড়ছেন। সেই থেকে সার্ফিংয়ের প্রেমে পড়ে যান।
সমাজের কটূক্তি ও পরিবারের বিরোধিতার মুখে তিনি ২৩ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে জাতীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। কোচ রাশেদ আলমের উৎসাহে তিনি মা-বাবার বিরোধিতাও কাটিয়ে উঠতে পারেন।
"আমাকে দিয়ে সার্ফিং হবে না। বান্ধবী সাহস দিয়ে বলল, ‘আমি পারলে তুই কেন পারবি না?’ আমিও হাল ছাড়লাম না। সেই থেকে সার্ফিংয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।"
ফাতেমা আক্তার বলেন, “মা প্রথমে খুব চিন্তিত ছিলেন। বলতেন, ‘তোমাকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। সাগরে ডুবে গেলে আমি কাকে নিয়ে বাঁচব?’ কিন্তু আমি মাকে বোঝাতাম, আমি সাঁতার জানি। ভয় পেয়ো না। একদিন দেশের বাইরে গিয়ে সার্ফিং করতে চাই। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালী, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা আক্তার, রাশেদ আলম, ফাতেমা আক্তারের মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন প্রতিযোগী, ১০ বছর সার্ফিং অভিজ্ঞতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!