📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা পেয়েছেন সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো-এর সাংবাদিকরা। শনিবার তাদের প্রেস ব্যাজ নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমগুলো সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধার মুখে পড়েছেন সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো-এর সাংবাদিকরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) তাদের প্রেস ব্যাজ নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। ট্রাম্পের শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার পরই এই ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা পেয়েছেন সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো-এর সাংবাদিকরা।
- 📌 ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, সিএনএনের বেটসি ক্লেইন ও ফটোসাংবাদিক, এমএস নাও-এর আকায়লা গার্ডনার ও পলিটিকোর চেয়েন হাসলেটের প্রেস ব্যাজ নিষ্ক্রিয় করা হয়।
- 📌 ট্রাম্পের শুক্রবার ঘোষণা: 'ফেক নিউজ' প্রকাশের অভিযোগে এই তিনটি সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- 📌 সিএনএন ও পলিটিকো জানিয়েছে, তারা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
- 📌 হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাকুই হাইনরিশ বলেছেন, এই পদক্ষেপের নজির তৈরি হলে ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমেরও প্রবেশাধিকার বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা পেয়েছেন সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো-এর সাংবাদিকরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিএনএনের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি বেটসি ক্লেইন ও একজন ফটোসাংবাদিককে নিরাপত্তাকর্মীরা প্রবেশে বাধা দেন। তাদের প্রেস ব্যাজ নিষ্ক্রিয় করা হয়। ফটোসাংবাদিকের কাছ থেকে ব্যাজ নিয়ে নেওয়া হলেও এর প্লাস্টিক কভারটি ফেরত দেওয়া হয়। এমএস নাও-এর হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি আকায়লা গার্ডনারকেও প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, নিরাপত্তাকর্মীরা তার প্রেস ব্যাজ নিষ্ক্রিয় করেছে। পলিটিকোর প্রতিনিধি চেয়েন হাসলেটেরও প্রেস ব্যাজ নিয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন যে, 'ফেক নিউজ' প্রকাশের অভিযোগে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব সংবাদমাধ্যম তার প্রশাসন ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে 'মিথ্যা' ও 'ভিত্তিহীন' খবর প্রকাশ করছে। পরদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, তিনি 'সৎ ও ন্যায্য সংবাদমাধ্যম' চান এবং এসব প্রতিষ্ঠানকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দিতে চান না।
সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী, সরকারি বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের অধিকার তাদের রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হলে সেটিকে এই সাংবিধানিক অধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। পলিটিকোও জানিয়েছে, তারা হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাকুই হাইনরিশ বলেছেন, কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পছন্দ না হওয়ার কারণে হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বাতিলের নজির তৈরি হলে ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও সিএনএন-এর সাংবাদিক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস ক্রেডেনশিয়াল বাতিল করা হয়েছিল, পরে আদালতের হস্তক্ষেপে সেই ক্রেডেনশিয়াল পুনর্বহাল করা হয়। দ্বিতীয় মেয়াদে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সাংবাদিকদেরও হোয়াইট হাউসের কিছু কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে; বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই এখনো চলছে।
"সৎ ও ন্যায্য সংবাদমাধ্যম' চান তিনি এবং এসব প্রতিষ্ঠানকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দিতে চান না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেটসি ক্লেইন, আকায়লা গার্ডনার, চেয়েন হাসলেট, জ্যাকুই হাইনরিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!