📌 ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের বডি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করেছে। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে রেফারির দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচিত হয়েছে এই ভিডিওতে
ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের বডি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করেছে। গত ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার এক সপ্তাহ পর অবসর নেন ভিনচিচ। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচের এক মাস পূর্তির আগেই ফিফা নিজেদের ওয়েবসাইটে ভিডিওটি প্রকাশ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা শেষে অবসর নেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ
- 📌 ফাইনাল ম্যাচের বডি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করেছে ফিফা
- 📌 ভিডিওতে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে রেফারির দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচিত
- 📌 ম্যাচের সময় লিওনেল মেসির সঙ্গে পারেদেসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেন ভিনচিচ
- 📌 ফুটেজে দেখা যায়, পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিনচিচকে প্রশংসা করেন
📰 বিস্তারিত
গত ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্লাভকো ভিনচিচ। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচ পরিচালনার এক সপ্তাহ পর অবসর নেন তিনি। বিশ্বকাপ ফাইনালের এক মাস পূর্তির আগেই ফিফা ভিনচিচের বডি ক্যামেরা ফুটেজ নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। রেফ ক্যামেরা প্রযুক্তির মাধ্যমে ধারণ করা এই ভিডিওতে ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্তের বিস্তারিত দৃশ্য উন্মোচিত হয়েছে, যা সাধারণ স্ক্রিনে পরিষ্কারভাবে বোঝা সম্ভব ছিল না।
ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাচ শুরুর আগে টানেল থেকে ফুটেজ শুরু হয়। সেখানে স্পেনের অধিনায়ক মার্ক কুকুরেয়া ও রদ্রিসহ কয়েকজন খেলোয়াড়কে জড়িয়ে ধরেন লিওনেল মেসি। এরপর ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় ও হ্যান্ডশেক করেন দুই অধিনায়ক। তবে টস করার সময় মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সাউন্ড সিস্টেমে বাজতে থাকা ডেভিড গুয়েটারের ‘টাইটানিয়াম’ গানের কারণে তাঁদের কথা পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায়।
ফুটেজে আরও দেখা যায়, একটি ফাউলের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে সতর্ক করে ভিনচিচ বলেন, ‘তোমার জন্য এটিই শেষ (সতর্কতা)।’ ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় ভিনচিচের দক্ষতা স্পষ্ট হয় যখন মেসি ফাউলের শিকার হওয়ার পর প্রতিবাদ জানাতে গেলে ভিনচিচ তাঁকে বলেন, ‘লিওনেল, আমি দেখতে পাচ্ছি।’ মেসি তখন কোনো কথা না বলে মুখ ফিরিয়ে নেন।
ভিডিওতে মেসিকে বারবার দেখা গেছে। তাঁকে ভিনচিচের দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ছিল পারেদেসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামার মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান ভিনচিচ। তখন ভিনচিচ মেসিকে বলেন, ‘মেসি, পারেদেসকে নিয়ন্ত্রণ করো। আমি চাই না ও কার্ড দেখুক।’ মেসির পরামর্শে পারেদেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এড়াতে সক্ষম হলেও ম্যাচ শেষে তিনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। সে সময় তিনি স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে আঘাত করেন এবং গাভিকে মাটিতে ফেলে দেন।
গত ২৯ জুলাই ফিফা জানায়, পারেদেসের বিরুদ্ধে মারধরের তিনটি অভিযোগে তদন্ত চলছে। তবে রেফ ক্যামের ফুটেজে হাতাহাতির দৃশ্য দেখা যায়নি। ফিফা রেফারিদের জন্য ব্যবহৃত এই প্রযুক্তিকে বর্ণনা করেছে ‘হালকা ভিডিও ডিভাইস’ হিসেবে, যা ম্যাচের সময় রেফারিদের দৃষ্টিকোণ থেকে দৃশ্য ধারণের পাশাপাশি উচ্চমানের ভিডিও ও অডিও রিয়েল-টাইমে সম্প্রচার করতে সক্ষম।
"ফাইনাল ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্ত ধরা পড়ে, যা স্ক্রিনে দেখে পরিষ্কার বোঝার উপায় ছিল না। রেফ ক্যামে প্রকাশিত ফুটেজে সেসব মুহূর্ত দেখার সুযোগ রয়েছে রেফারি ভিনচিচের চোখে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেটলাইফ স্টেডিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্লাভকো ভিনচিচ (রেফারি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ জুলাই (বিশ্বকাপ ফাইনাল), ১-০ গোলে স্পেনের জয়, ২৯ জুলাই (তদন্ত শুরুর তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!