📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানুষ মহাকাশের চেয়ে সমুদ্রের গভীরতম রহস্য সম্পর্কে কতটুকু জানে?

মানুষ মহাকাশের চেয়ে সমুদ্রের গভীরতম রহস্য সম্পর্কে কতটুকু জানে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানুষ মহাকাশের চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহের মানচিত্র সম্পর্কে যতটা জানে, নিজেদের পৃথিবীর সমুদ্রের তলদেশ সম্পর্কে ততটা জানে না বলে প্রায়ই দাবি করা হয়। তবে মহাকাশ গবেষণা আর সমুদ্র অনুসন্ধানের তুলনায় দেখা যায়, মহাকাশের মানচিত্র অনেক বেশি উন্নত। সমুদ্রের তলদেশের মাত্র ৬ শতাংশ এলাকা এখন পর্যন্ত মানচিত্রায়িত হয়েছে।

মানুষের মহাকাশ অভিযান আর সমুদ্র অনুসন্ধানের মধ্যে তুলনা করলে দেখা যায়, মহাকাশের মানচিত্র অনেক বেশি উন্নত। প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে, মানুষ চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহের মাটির গঠন সম্পর্কে যতটা জানে, নিজেদের পৃথিবীর সমুদ্রের তলদেশ সম্পর্কে ততটা জানে না। কিন্তু প্রকৃত তথ্য অনুসারে, মহাকাশ গবেষণা আর সমুদ্র অনুসন্ধানের তুলনায় মহাকাশের মানচিত্র অনেক এগিয়ে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহাকাশের মানচিত্র তৈরির কাজ সমুদ্রের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত হয়েছে
  • 📌 সমুদ্রের তলদেশের মাত্র ৬ শতাংশ এলাকা এখন পর্যন্ত মানচিত্রায়িত হয়েছে
  • 📌 মহাকাশের মানচিত্র তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় কৃত্রিম উপগ্রহ আর রাডার প্রযুক্তি
  • 📌 সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরির প্রধান বাধা হলো এর বিশাল আয়তন, প্রায় ৩০ কোটি বর্গকিলোমিটার
  • 📌 ভিক্টর ভেসকোভো নামের অভিযাত্রী সমুদ্রের সবচেয়ে গভীর স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চে ডুব দিয়ে ইতিহাস গড়েন

📰 বিস্তারিত

১৯০৩ সালে ‘জেনারেল বাথিমেট্রিক চার্ট অব দ্য ওশেনস’ (GEBCO) সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরির কাজ শুরু করে। তখন মহাকাশ সম্পর্কে মানুষের ধারণা ছিল অনেক কম। এরপর ১৯১২ থেকে ১৯৩১ সালের মধ্যে বিজ্ঞানীরা শব্দতরঙ্গ বা ‘সোনার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানির নিচের তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। অন্যদিকে মহাকাশের মানচিত্র তৈরির কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র অ্যাপোলো মিশনের তথ্য দিয়ে চাঁদের মানচিত্র তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালে চীনের বিজ্ঞানীরা চাঁদের সবচেয়ে নিখুঁত মানচিত্র প্রকাশ করেন।

সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরির প্রধান বাধা হলো এর বিশাল আয়তন। পুরো সাগরের তলদেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশই মানচিত্রের বাইরে রয়ে গেছে। এর আয়তন প্রায় ৩০ কোটি বর্গকিলোমিটার। তবে বর্তমানে এ কাজের গতি দ্রুত বাড়ছে। ২০১৭ সালেও সমুদ্রের মাত্র ৬ শতাংশ এলাকা আধুনিক মানে মানচিত্রে উঠে এসেছিল।

মহাকাশের মানচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে কৃত্রিম উপগ্রহ আর রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে সহজেই তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। মঙ্গল গ্রহের সুবিশাল ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন পিক্সেলের একটি অতিস্পষ্ট ছবি বিজ্ঞানীদের কাছে রয়েছে। যেখানে প্রতি ৫ মিটারের নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়। এমনকি ঘন মেঘে ঢাকা শুক্র গ্রহের মানচিত্রও রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে অনেক আগেই তৈরি করে ফেলা সম্ভব হয়েছে।

"পৃথিবীর পাঁচটি মহাসাগরের তলদেশে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল। কাজ শুরু করার পর আমরা জানতে পারি, পাঁচটি মহাসাগরের মধ্যে চারটির তলদেশ ঠিক কোথায় অবস্থিত, সেই সঠিক তথ্যই বিজ্ঞানীদের জানা ছিল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবীর মহাসাগরসমূহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভিক্টর ভেসকোভো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ কোটি (বর্গকিলোমিটার), ৬ শতাংশ, ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন (পিক্সেল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖