📌 টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের ২৮তম জয়টি এল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ী দলের তালিকায় নাম লেখাল বাংলাদেশ। টানা চার দিনের লড়াইয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের স্পিন জাদুতে অজিদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল মুমিনুল হকের দল
টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে বাংলাদেশের ২৮তম জয়টি ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা চার দিন ব্যাট-বলের লড়াইয়ে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ী দলের তালিকায় নাম লেখাল বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল ২০১৭ সালে দেশের মাটিতে। ভারত ও পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় করা তৃতীয় দক্ষিণ এশীয় দল বাংলাদেশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয় — প্রথম জয় দেশের মাটিতে (২০১৭)
- 📌 টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের ২৮তম জয়, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়
- 📌 ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৯ উইকেটে
- 📌 মেহেদি হাসান মিরাজ নিয়েছিলেন ৫ উইকেট, হাসান মাহমুদ ৩ উইকেট
- 📌 জয় নিশ্চিত করেছিলেন মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলামের ব্যাটিং
📰 বিস্তারিত
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের ২৮তম জয়টি ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা চার দিন ব্যাট-বলের লড়াইয়ে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ী দলের তালিকায় নাম লেখাল বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল ২০১৭ সালে দেশের মাটিতে। ভারত ও পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় করা তৃতীয় দক্ষিণ এশীয় দল বাংলাদেশ।
ডারউইনে ঐতিহাসিক জয় পেতে বাংলাদেশের সামনে টার্গেট ছিল মাত্র ৫৭ রানের। এই টার্গেটে খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম রানের খাতা খুলতে পারেননি। জশ হ্যাজেলউডের গুড লেংথের বলে সরাসরি বোল্ড হন তিনি। তবে তারপর অজি বোলিং আক্রমণকে সেভাবে সুযোগই দেয়নি বাংলাদেশ। ওপেনার সাদমান ইসলামকে নিয়ে সহজেই দলের জয় নিশ্চিত করেছেন তিনে নামা মুমিনুল হক। মুমিনুল কিছুটা আক্রমণাত্মক মুডেই খেলেছেন। দলের জয় নিশ্চিত হওয়ার সময় ৩৯ বলে অপরাজিত ছিলেন ৩০ রান করে। আর সাদমান ইসলাম অপরাজিত ছিলেন ৪২ বলে ২৫ রানে।
এর আগে সকালে বল হাতে অজিদের কাবু করেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ৪ উইকেটে ১৬১ রান তুলে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরুন গ্রিন ৪৩ ও অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের প্রথম সেশনে তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ আর তিনটিই মেহেদি হাসান মিরাজ। ৩০ রানের মাথায় অ্যালেক্স ক্যারিকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান মিরাজ। বড় বড় টার্ন পাচ্ছিলেন মিরাজ। সেটাই কাজে লাগিয়ে ফিরিয়েছেন ক্যারিকে। মিরাজের টার্ন করে লাফিয়ে উঠা বল ক্যারির ব্যাটের কানা ছুয়ে চলে যায় লিটন দাসের গ্লাভসে। ৭২ বলে ৫টি চার ও ৩০ রান করে ফেরেন ক্যারি।
বো ওয়েবস্টারের দায়িত্ব ছিল ক্যামেরুন গ্রিনকে সঙ্গ দেওয়া। কিন্তু সেটা পুরোপুরি করতে দেননি মিরাজ। বড় বড় টার্ন পাওয়া মিরাজ ৬৬ ওভারে শেষ বলটা কোনো টার্ন করেননি। ওয়েবস্টার হয়ত আগে থেকেই ধরে নিয়েছিলেন টার্ন হবে! ফলাফল বল গিয়ে সোজা আঘাত হানে তার অফস্ট্যাম্পে! ২১ বলে ৫ রান করে ফেরেন ওয়েবস্টার। খানিক বাদে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে শর্ট বলে কাবু করেছেন মিরাজ। মিরাজের হাফভলি ডেলিভারি লেগে খেলতে চেয়েছিলেন ক্যামিন্স। বল গিয়ে জমা পরে সাদমান ইসলামের হাতে। ৮ রান করে ফেরেন কামিন্স।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে মিচেল স্টার্ককেও ফিরিয়ে বাংলাদেশকে জয়ের আরও কাছে নিয়ে যান তাসকিন আহমেদ। ‘পথের কাটা’ হয়ে থাকা ক্যামেরুন গ্রিনকে ফেরান হাসান মাহমুদ। হাসানের গুড লেংথের বল ডিফেন্স করতে গিয়েছিলেন গ্রিন। কিন্তু বল ব্যাটে ঠিকভাবে নিতে পারেননি, বল চলে যায় স্ট্যাম্পে। ২০১ বলে ৪টি চার ও ১টি ছয়ে ১০১ রানের মাথায় ফেরেন গ্রিন। এরপর নাথান লায়ানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানেই গুটিয়ে দেন মিরাজ। ৫৬ রানে তিন উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।
"টেস্ট ইতিহাসে এর আগে ২৭টি জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজকের ২৮ নম্বর জয়টা অবিস্মরণীয়, ঐতিহাসিক, অকল্পনীয়ও বলা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডারউইন, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মুমিনুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ, সাদমান ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ (বাংলাদেশের জয়), ৯ (উইকেটের ব্যবধান), ৫৭ (টার্গেট রান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!