📌 মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় ফিফা বাংলাদেশের ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে। জাতীয় দলের জার্সিতে দুই ম্যাচ খেলা এই স্ট্রাইকার প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারবেন না বলে জানা গেছে
গত জুন মাসে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় বাংলাদেশের ফুটবলার আল-আমিনকে ফিফা ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলা আল-আমিন প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ম্যাচ খেলতে পারবেন না বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে বাফুফের একটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে ফেডারেশন ১৫ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিফা বাংলাদেশের ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে মারামারির ঘটনায়
- 📌 আল-আমিন জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন
- 📌 ১৫ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারবেন না
- 📌 বাংলাদেশ জাতীয় দল বছরে সাধারণত সাত থেকে আটটির বেশি ম্যাচ খেলে না
- 📌 এর আগে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে ইলিয়াস হোসেনকে এক বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ অলিম্পিক দল। গত ৭ জুন রাতে স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচটি পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হওয়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত গড়ায় হাতাহাতি ও মারামারিতে। বাংলাদেশের আল-আমিন ও মিরাজুল ইসলাম লাল কার্ড দেখেন। মাঠের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে গ্যালারিতেও।
বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গে মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে লাল কার্ড পান ফরোয়ার্ড আল-আমিন। কার্ড দেখার পর নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে তিনি রেফারিকে ধাক্কা দেন।
হট্টগোলের কারণে কিছুক্ষণের জন্য খেলা বন্ধ থাকলেও পরে আবার শুরু হয়। তবে মাঠের পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তপ্ত। কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশের অর্ধে বল দখলের লড়াইয়ে মালদ্বীপের ইব্রাহিম নাসির ও বাংলাদেশের মনজুরুর রহমান বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়েরা সেখানে জড়ো হয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন। শুরু হয় তুমুল হাতাহাতি ও মারামারি। শেষ পর্যন্ত দুই দলের কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ গোলের ড্র নিয়ে।
"গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় বাংলাদেশের ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালদ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল-আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ম্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!