📌 টিকা দেওয়া সত্ত্বেও দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যু বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ইমিউনিটি গ্যাপ, অপুষ্টি ও অ্যাডিনো ভাইরাসের দ্বৈত সংক্রমণই মূল কারণ। সরকার টিকাদানের বয়সসীমা কমিয়ে ৬ মাস করেছে
টিকা দেওয়া সত্ত্বেও দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যু বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ইমিউনিটি গ্যাপ, অপুষ্টি ও অ্যাডিনো ভাইরাসের দ্বৈত সংক্রমণই মূল কারণ। সরকার টিকাদানের বয়সসীমা কমিয়ে ৬ মাস করেছে।
🔴 মূল কারণগুলো
- 📌 টিকা দেওয়ার পরও প্রায় ৫ শতাংশ শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না।
- 📌 করোনাকালে টিকা না পাওয়া মায়েদের নবজাতকেরা জন্মের পর থেকেই ইমিউনিটি গ্যাপে ভুগছে।
- 📌 হামের ভাইরাস শিশুর প্রতিরোধব্যবস্থার ৭৩ শতাংশ ধ্বংস করে দেয়।
- 📌 অ্যাডিনো ভাইরাসের দ্বৈত সংক্রমণে ফুসফুস অক্সিজেন শোষণ ক্ষমতা হারায়।
📰 বিস্তারিত
দীর্ঘদিন ধরে টিকাদান কর্মসূচির ফলে বিশ্বজুড়ে হাম নিয়ন্ত্রণে সাফল্য অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হামের নতুন প্রাদুর্ভাব ও বেশ কয়েকটি শিশুর মৃত্যু উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সরকার টিকাদানের বয়সসীমা ৬ মাস-এ নামিয়ে এনেছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, টিকা দেওয়া সত্ত্বেও শিশুরা কেন হামে আক্রান্ত হচ্ছে?
গবেষণায় দেখা গেছে, ভাইরাসের নতুন রূপ নয়; বরং ইমিউনিটি গ্যাপ, অপুষ্টি, চিকিৎসায় বিলম্ব ও অ্যাডিনো ভাইরাসের দ্বৈত সংক্রমণই মূল কারণ। প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার পর ৫ শতাংশ শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না।
করোনাকালে টিকা না পাওয়া মায়েদের নবজাতকেরা জন্মের পর থেকেই ইমিউনিটি গ্যাপে ভুগছে। গর্ভকালীন মায়ের শরীর থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি শিশুকে ৩ থেকে ৫ মাস সুরক্ষা দেয়। কিন্তু ৮ মাস বয়সে মাত্র ৭ শতাংশ শিশুর শরীরে এই সুরক্ষা অবশিষ্ট থাকে।
হামের ভাইরাস শিশুর প্রতিরোধব্যবস্থার স্মৃতিকোষের ৭৩ শতাংশ ধ্বংস করে দেয়। ফলে শিশুটি সাময়িক সুস্থ হলেও পরবর্তী কয়েক মাস যেকোনো সংক্রমণে প্রাণ হারাতে পারে। অপুষ্ট শিশুদের শরীরেও টিকা কার্যকর হয় না।
"হাম শুধু একটি ভাইরাস নয়; এটি অপুষ্টি, অনাক্রম্যতার দুর্বলতা ও দ্বিতীয় ভাইরাসের যৌথ আক্রমণের ফল। এই জীবনঘাতী চক্র থেকে শিশুদের রক্ষা করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশু, মা, তরুণী, কিশোরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস, ৫ শতাংশ, ৩ থেকে ৫ মাস, ৮ মাস, ৭ শতাংশ, ৭৩ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!