📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পোকামাকড় কেন সমুদ্রে বাস করতে পারে না তার রহস্য উদঘাটন

পোকামাকড় কেন সমুদ্রে বাস করতে পারে না তার রহস্য উদঘাটন

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সমুদ্রের বিশাল জলরাশিতে পোকামাকড়ের অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে দীর্ঘদিনের ধাঁধার সমাধান মিলেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। আফ্রিকার মালাউই হ্রদের বিশেষ এক মাছির লার্ভা গভীর জলের চাপ সহ্য করতে সক্ষম হওয়ায় বিজ্ঞানীরা নতুন তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন

পৃথিবীর তিন-চতুর্থাংশ জুড়ে বিস্তৃত সমুদ্রের বিশাল জলরাশিতে পোকামাকড়ের কোনো অস্তিত্ব নেই। মশা, মাছি বা পিঁপড়ার মতো সাধারণ পোকামাকড়েরা মাটি, আকাশ এমনকি দুর্গম জঙ্গলেও মানিয়ে নিলেও সমুদ্রে তাদের দেখা মেলে না। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন সমুদ্রের প্রচণ্ড জলের চাপে পোকামাকড়ের শ্বাসতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা এই ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পৃথিবীর তিন-চতুর্থাংশ জুড়ে সমুদ্র থাকলেও সেখানে পোকামাকড়ের কোনো অস্তিত্ব নেই
  • 📌 আফ্রিকার মালাউই হ্রদের চাওবোরাস এডুলিস নামে এক মাছির লার্ভা ২৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত ডুব দিতে সক্ষম
  • 📌 গবেষকরা দেখেছেন, লার্ভাগুলো দিনের বেলায় ২৫৮ মিটার গভীরে ডুব দিয়ে শিকারি মাছের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করে
  • 📌 পোকামাকড়ের শ্বাসযন্ত্রের বিশেষ প্রোটিন 'রেসিলিন' জলের চাপ সহ্য করতে সক্ষম বলে প্রমাণিত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

আফ্রিকার মালাউই হ্রদের বিশেষ এক ধরনের মাছির লার্ভা নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, এই লার্ভাগুলো নিজেদের বাঁচাতে হ্রদের প্রায় ২৫০ মিটার গভীরে অনায়াসে ডুব দিতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রাণিবিদ্যার সহযোগী অধ্যাপক ফিলিপ ম্যাথিউস জানান, একটি খুদে পতঙ্গের জলের এত গভীরে টিকে থাকা বিজ্ঞানীদের কল্পনারও বাইরে ছিল।

গবেষকেরা সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে লার্ভাগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁরা দেখতে পান যে, লার্ভাগুলোর জীবনচক্র বেশ অদ্ভুত। রাতের অন্ধকারে যখন শিকারি মাছের ভয় কম থাকে, তখন এরা পানির ওপরের দিকে ভেসে বেড়ায়। কিন্তু দিনের আলো ফুটতেই যখন শিকারি মাছের আনাগোনা বাড়ে, তখন এরা নিজেদের বাঁচাতে ২৫৮ মিটার গভীর পর্যন্ত ডুব দেয়।

গবেষণায় আরও উঠে আসে যে, পোকামাকড়ের শ্বাসযন্ত্রের বিশেষ প্রোটিন 'রেসিলিন' জলের চাপের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে। ফলে গভীর জলের প্রচণ্ড চাপেও এদের বাতাসের থলি চুপসে যায় না। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিওর জীববিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক নাতাশা মাত্রে এই গবেষণাটিকে 'অসাধারণ' বলে আখ্যা দিয়েছেন।

"আমরা অন্তত এইটুকু প্রমাণ করতে পেরেছি যে, জলের চাপ কোনো অলঙ্ঘনীয় বাধা নয়। কিন্তু সমুদ্রের বিশাল ও রহস্যময় পরিবেশে ঠিক কোন জিনিসটা তাদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছে, সেই প্রশ্নটি এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আফ্রিকার মালাউই হ্রদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিলিপ ম্যাথিউস, নাতাশা মাত্রে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ মিটার, ২৫৮ মিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖