📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌরজগতের গোপন কোণে আবিষ্কৃত সম্ভাব্য বামন গ্রহ ‘২০২৬ ইডি১৩৮’: বিজ্ঞানীরা কীভাবে খুঁজে পেয়েছেন?

সৌরজগতের গোপন কোণে আবিষ্কৃত সম্ভাব্য বামন গ্রহ ‘২০২৬ ইডি১৩৮’: বিজ্ঞানীরা কীভাবে খুঁজে পেয়েছেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চিলির ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি থেকে সৌরজগতের শেষ প্রান্তে একটি সম্ভাব্য বামন গ্রহ ‘২০২৬ ইডি১৩৮’ আবিষ্কার করেছেন। গ্রহটির ব্যাস ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে অবস্থিত। এই আবিষ্কারটি সৌরজগতের গবেষণায় নতুন দিক নির্দেশ করছে

সৌরজগতের গোপন কোণে একটি সম্ভাব্য নতুন বামন গ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। চিলির ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরির শক্তিশালী ক্যামেরা ধরা পড়েছে এই অজানা মহাজাগতিক বস্তুটির। বিজ্ঞানীরা এই সম্ভাব্য বামন গ্রহটিকে ‘২০২৬ ইডি১৩৮’ নামে নামকরণ করেছেন। এর ব্যাস ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে প্রায় ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে অবস্থিত। এই দূরত্বের তুলনা হিসেবে বলা যায়, পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের ৪৬ গুণ দূরে এই গ্রহটি অবস্থান করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৬ ইডি১৩৮ নামের সম্ভাব্য বামন গ্রহটি সৌরজগতের শেষ প্রান্তে আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সূর্য থেকে ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে অবস্থিত।
  • 📌 এই গ্রহটির ব্যাস ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার এবং এটি ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত, যা নেপচুন গ্রহের বাইরে।
  • 📌 হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ সালে এই গ্রহটিকে প্রথম শনাক্ত করেছেন।
  • 📌 বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি গত এক দশক ধরে মহাকাশে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
  • 📌 এই গ্রহটিকে বামন গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পরীক্ষা করতে হবে।

📰 বিস্তারিত

সৌরজগতের ছবি দেখে অনেকেই মনে করেন, আমাদের সৌরজগতের গ্রহের সংখ্যা মাত্র আটটি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মহাকাশের অসীম অন্ধকারে অনেক অজানা রহস্য রয়েছে। এই অসীম মহাজাগতিক অন্ধকারে বিজ্ঞানীরা একটি সম্ভাব্য নতুন বামন গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। এই গ্রহটির নাম ‘২০২৬ ইডি১৩৮’। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটির ব্যাস ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার এবং এটি সূর্য থেকে প্রায় ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে অবস্থিত। এই দূরত্বের তুলনা হিসেবে বলা যায়, প্লুটোর গড় দূরত্ব সূর্য থেকে ৪০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট। অর্থাৎ, এই গ্রহটি প্লুটোকেও ছাড়িয়ে গভীরে অবস্থান করছে।

হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান রুবিন অবজারভেটরির বিশাল ডেটাবেস ঘাঁটতে গিয়ে ১৩ অক্টোবর ২০২৬ সালে এই গ্রহটিকে প্রথম শনাক্ত করেন। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি গত এক দশক ধরে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তারা ২০১৬ সালের পুরোনো আর্কাইভ ঘেঁটেও এর অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটিকে বামন গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পরীক্ষা করতে হবে। সাধারণ গ্রহ এবং বামন গ্রহের মধ্যে পার্থক্য হলো, সাধারণ গ্রহ তার কক্ষপথকে পরিষ্কার রাখে, কিন্তু বামন গ্রহগুলো তাদের কক্ষপথে অন্যান্য ছোট বস্তুদের সাথে সহাবস্থান করে। যদি এই গ্রহটি সব শর্ত পূরণ করে, তবে এটি সৌরজগতের স্বীকৃত পাঁচটি বামন গ্রহের তালিকায় যুক্ত হবে।

"এই গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের গবেষণায় নতুন দিক নির্দেশ করছে। এটি ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত এবং জানা বস্তুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সৌরজগতের ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চল, সূর্য থেকে ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যাথিউ হোলম্যান (হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্স)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০-১৫০০ কিলোমিটার (গ্রহটির ব্যাস), ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (সূর্য থেকে দূরত্ব), ১৩ অক্টোবর ২০২৬ (আবিষ্কারের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖