📌 নরসিংদীর রায়পুরায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মচারীরা চার মাসের বকেয়া বেতন দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন। পরিবার ভরণপোষণের জন্য আর্থিক সংকটে পড়ায় তারা দাবি জানাচ্ছেন।
নরসিংদীর রায়পুরায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের সাসেক ডিএস-৪ ইউনিটের কর্মচারীরা চার মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাহমুদাবাদ এলাকায় কর্মবিরতি চলেছে। কর্মচারীরা দ্রুত বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়ে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের সাসেক ডিএস-৪ ইউনিটের কর্মচারীরা চার মাসের বকেয়া বেতন দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন
- 📌 কর্মচারীদের দাবি: জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে
- 📌 কর্মবিরতির সময় কর্মচারীরা প্রকল্পের পরিকল্পনা শাখায় লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন
- 📌 কর্মচারীরা পরিবার ভরণপোষণ, বাসাভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনা ও চিকিৎসার খরচে আর্থিক সংকটে পড়েছেন
📰 বিস্তারিত
মাহমুদাবাদ এলাকায় অবস্থিত মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের আওতাধীন সাসেক ডিএস-৪ প্রকল্পের কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছেন। কর্মবিরতির সময় কর্মচারীরা প্রকল্পের ব্যবস্থাপককে না পেয়ে পরিকল্পনা শাখায় লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে চার মাসের বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে। কর্মচারীরা জানান, বেতন না পাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
কর্মবিরতির সময় কর্মচারীরা দাবি জানান যে, চলতি বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তাদের চার মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে বেতন ছাড়া পরিবারের ভরণপোষণ, বাসাভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনা ও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্মচারীরা।
প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্মবিরতির সময় অফিসে উপস্থিত কর্মচারীরা প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানোর জন্য লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
"চলতি বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। পরিবার ভরণপোষণ, বাসাভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনা ও চিকিৎসার খরচে আর্থিক সংকটে পড়েছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাহমুদাবাদ, রায়পুরা, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাসেক ডিএস-৪ ইউনিটের কর্মচারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার মাসের বকেয়া বেতন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!