📌 প্রবীণ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত গুণীজন সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রবীণদের একাকিত্ব দূর করে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তিনজন বিশিষ্ট প্রবীণ ব্যক্তিকে সম্মাননা দেওয়া হয়
প্রবীণদের সুস্থতা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তাদের একাকিত্ব দূর করা এবং সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে প্রবীণ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত গুণীজন সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির আয়োজনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পাশাপাশি তরুণ-প্রবীণদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রবীণদের একাকিত্ব দূর করে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্য তরুণ-প্রবীণদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়
- 📌 বাংলাদেশে প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ছে, তাদের অবহেলা করা যাবে না — এ কথা বলেন জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান
- 📌 প্রবীণদের ভালো থাকার জন্য শুধু অর্থ নয়, পরিবারের ভালোবাসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন — সালেহউদ্দিন আহমেদ
- 📌 প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক সেবা এবং নিরাপদ আশ্রয় ব্যবস্থা নিতে হবে — জহুরুল করিম
- 📌 অনুষ্ঠানে তিনজন বিশিষ্ট প্রবীণকে সম্মাননা দেওয়া হয়: চিকিৎসক এ কে আজাদ খান, অর্থনীতিবিদ সালেহউদ্দিন আহমেদ ও কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবীণদের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথা তুলে ধরা হয়। সোসাইটির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, প্রবীণবান্ধব সমাজ গড়ে তোলার পাশাপাশি নারী ও শিশুবান্ধব সমাজও গড়ে তুলতে হবে। তিনি প্রবীণদের করুণার পাত্র হিসেবে নয়, ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে দেখার কথা বলেন।
অর্থনীতিবিদ ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রবীণদের ভালো থাকার জন্য শুধু অর্থসম্পদ যথেষ্ট নয়। অনেক প্রবীণ একাকিত্বে ভোগেন এবং তাদের দেখাশোনা করার কেউ নেই। তিনি বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক সেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম বলেন, প্রবীণদের জন্য এখনো দেশে নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তিনি প্রবীণদের নিয়ে সোসাইটির কার্যক্রম গ্রামেও ছড়িয়ে দিতে হবে বলে আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে অনেক উন্নয়ন হলেও প্রবীণদের ভালো রাখার উদ্যোগে সংশ্লিষ্টদের ঘাটতি ও অদক্ষতা রয়ে গেছে। তিনি প্রবীণদের ভালো রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
"বাংলাদেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের অবহেলা করার সুযোগ নেই। দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সমাজের সম্পদ। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রবীণদের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে।" — **এ কে আজাদ খান**, জাতীয় অধ্যাপক ও চিকিৎসক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ কে আজাদ খান, সালেহউদ্দিন আহমেদ, জহুরুল করিম, হোসেন জিল্লুর রহমান, এ কে এম রেজাউল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন সম্মানিত প্রবীণ ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!