📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে একই সঙ্গে চার শিশুর জন্ম: অপরিণত অবস্থায় চিকিৎসাধীন

রাজশাহীতে একই সঙ্গে চার শিশুর জন্ম: অপরিণত অবস্থায় চিকিৎসাধীন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া চার অপরিণত শিশুকে বিশেষ পরিচর্যা ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাদের মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু হয়েছে পরীক্ষামূলকভাবে। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া চার অপরিণত শিশুর চিকিৎসা চলছে বিশেষ পরিচর্যা ইউনিটে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে রাজশাহী নগরের সিপাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিশা খাতুনের স্বামী নয়ন ইসলাম তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করান। পরদিন মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার সন্তানের জন্ম হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে চার নবজাতককে রাখা হয়েছে
  • 📌 ৩৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজনের ওজন এক কেজি করে, অন্য দুজনের যথাক্রমে ১ কেজি ১০০ গ্রাম ও ১ কেজি ৩০০ গ্রাম
  • 📌 বুধবার সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি শিশুকে শূন্য দশমিক ৫ মিলিলিটার করে মায়ের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে
  • 📌 একজন শিশুর অক্সিজেন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে; সে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, চার শিশুর মধ্যে একজনের ওজন এক কেজি হওয়ায় তার অক্সিজেন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণত ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহে নবজাতকের জন্ম হয়। কিন্তু এ চার শিশু ৩৪ সপ্তাহেই জন্ম নেওয়ায় তাদের ওজন প্রত্যাশিত মাত্রার চেয়ে কম।

তিশা খাতুনের চার সন্তানের জন্মের পর তাদের প্রথমে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। পরে তাদেরকে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অপরিণত শিশুরা জন্মের চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

শেখ শামীম আহমেদ বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি শিশুকে শূন্য দশমিক ৫ মিলিলিটার করে মায়ের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো তাদের মুখে খাবার নেওয়ার ক্ষমতা যাচাই করা। তিনি জানান, মুখে খাবার না দিলে শিশুদের পাকস্থলী শুকিয়ে যেতে পারে।

"চার শিশুর মধ্যে একজনের অক্সিজেন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত চারজনের অবস্থাই স্থিতিশীল। তবে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তিশা খাতুন, শেখ শামীম আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন শিশু, ৩৪ সপ্তাহ, ১ কেজি থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖