📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে মন্থর নিউট্রনের গোপন ভূমিকা: কেন দ্রুত নয়, মন্থরই কার্যকর?

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে মন্থর নিউট্রনের গোপন ভূমিকা: কেন দ্রুত নয়, মন্থরই কার্যকর?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর দহনে মন্থর নিউট্রনই বেশি কার্যকর। গ্রাফাইট বা পানি নিউট্রনের গতি কমিয়ে স্লো নিউট্রন রিঅ্যাক্টরকে সক্ষম করে, যা বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়েছিল। নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে স্ট্রোনসিয়াম ও জেনন তৈরি হয়, যা তাপ উৎপাদন করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পেছনে লুকিয়ে আছে একটি বৈজ্ঞানিক রহস্য — কেন দ্রুত নিউট্রন নয়, মন্থর নিউট্রনই ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াস ভাঙ্গতে বেশি কার্যকর। প্রিয় বন্ধু, আপনি যদি মনে করেন দ্রুত নিউট্রনই বেশি কার্যকর, তবে বাস্তবে তা সম্পূর্ণ বিপরীত। ক্ষুদ্র পরমাণুর জগতে এই মন্থর নিউট্রনগুলোই ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াস ভাঙ্গতে সক্ষম। এই কারণেই পারমাণবিক চুল্লিতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয় — নিউট্রনের গতি কমিয়ে মন্থর নিউট্রনে রূপান্তর করার জন্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর মাত্র ৪-৫ শতাংশই পারমাণবিক জ্বালানিতে ব্যবহৃত হয়, কারণ চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে।
  • 📌 মন্থর নিউট্রন ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াস ভাঙ্গতে দ্রুত নিউট্রন থেকে ১০০০ গুণ বেশি কার্যকর, কারণ নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষের সম্ভাবনা বেশি।
  • 📌 গ্রাফাইট বা পানি নিউট্রনের গতি কমিয়ে স্লো নিউট্রন রিঅ্যাক্টরকে সক্ষম করে, যা বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে (১৯৫৪, রাশিয়ার অবনিনস্ক) ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • 📌 ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভেঙ্গে স্ট্রোনসিয়াম ও জেনন তৈরি হয়, যা তাপ উৎপাদন করে বাষ্প সৃষ্টি করে টারবাইন ঘোরায় এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
  • 📌 রাশিয়ার উড়াল অঞ্চলে বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র কার্যকর 'ফাস্ট' রিঅ্যাক্টর চলে, যেখানে দ্রুত নিউট্রন ব্যবহৃত হয়।

📰 বিস্তারিত

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ খুবই সীমিত — মাত্র ৪-৫ শতাংশ। এই সীমাবদ্ধতা রয়েছে কারণ চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। যদি নিউট্রন দ্রুত গতিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসে আঘাত করে, তাহলে রিঅ্যাকশন অচলনশীল হয়ে যেতে পারে। কিন্তু মন্থর নিউট্রনগুলো ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসকে ভাঙ্গতে সক্ষম, কারণ নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষের সম্ভাবনা বেশি। এই কারণে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয় — নিউট্রনের গতি কমিয়ে মন্থর নিউট্রনে রূপান্তর করার জন্য।

১৯৫৪ সালে রাশিয়ার মস্কো শহরের অদূরে অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়, যেখানে স্লো নিউট্রন রিঅ্যাক্টর ব্যবহৃত হয়েছিল। ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভেঙ্গে দুটি নতুন পদার্থের নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয় — স্ট্রোনসিয়াম ও জেনন। এই নিউক্লিয়াসের টুকরোগুলো তাপ উৎপাদন করে, যা জ্বালানি রডের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এই তাপ পানিকে বাষ্পে পরিণত করে, যা টারবাইন ঘোরায় এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

বিশ্বের একমাত্র কার্যকর 'ফাস্ট' রিঅ্যাক্টর রাশিয়ার উড়াল অঞ্চলে বর্তমানে চলে। এখানে দ্রুত নিউট্রন ব্যবহৃত হয়, যা ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াস ভাঙ্গতে সক্ষম। তবে এই রিঅ্যাক্টরগুলোতে চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণে রাখা আরও কঠিন।

"পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা ইলেকট্রিক তারের সাহায্যে বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এই বিদ্যুতের সাহায্যেই বাসগৃহ, রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে আলো জ্বলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাশিয়া (অবনিনস্ক, মস্কো; উড়াল অঞ্চল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পদার্থবিদরা (সূত্রে উল্লেখিত)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ (৪-৫ শতাংশ), নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে স্ট্রোনসিয়াম ও জেনন তৈরি (২টি নতুন পদার্থ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖