📌 কর্মব্যস্ত জীবনে সময়ের অভাবে ভোরে বা বিকেলে ব্যায়াম করতে না পারলেও সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা যেতে পারে। গবেষণা বলছে, নিয়ম মেনে রাতের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমিয়ে ঘুমের মানও বাড়ায়
কর্মব্যস্ত জীবনে শরীরচর্চার জন্য সময় বের করা অনেকের জন্যই দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। ভোরের আলস্য কাটিয়ে ঘুম থেকে ওঠা বা দিনের ব্যস্ততার মাঝে ব্যায়ামের সময় খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এ পরিস্থিতিতে অনেকে প্রশ্ন তোলেন, রাতে বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা আদৌ স্বাস্থ্যকর কি না। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল, রাতের ব্যায়াম ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, সবার জন্য এই ধারণা সঠিক নয়। নিয়মিত ও পরিকল্পিত উপায়ে সন্ধ্যায় ব্যায়াম করলে তা শরীর ও মনের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্মব্যস্ততার কারণে ভোরে বা বিকেলে ব্যায়াম করতে না পারলে সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা যেতে পারে
- 📌 মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দূর করতে সন্ধ্যার ব্যায়াম কার্যকর ভূমিকা পালন করে
- 📌 শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকায় সন্ধ্যায় ব্যায়াম করলে পেশির সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়
- 📌 ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে হালকা ব্যায়াম ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না
- 📌 রাত ১০টার পর জিম ফাঁকা থাকায় সরঞ্জাম ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়
📰 বিস্তারিত
মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দূর করার ক্ষেত্রে সন্ধ্যার ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর। সারা দিনের কাজের চাপ, ট্রাফিক জ্যাম বা মানসিক অস্থিরতার পর শরীরচর্চা এক দারুণ উপশম হিসেবে কাজ করে। ব্যায়ামের সময় শরীরে এনডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মেজাজ ভালো করে এবং পুঞ্জীভূত মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে।
শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সন্ধ্যার ব্যায়াম বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিকেলের পর থেকে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পায়। ফলে পেশির নমনীয়তা ও শক্তি এই সময় সর্বোচ্চ থাকে। তাই সন্ধ্যায় ব্যায়াম করলে সকালের তুলনায় পেশির সহনশীলতা ও দক্ষতা বেশি পাওয়া যায়।
ঘুমের মান উন্নত করতে সন্ধ্যার ব্যায়াম সহায়ক হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে হালকা বা মাঝারি মানের ব্যায়াম করলে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না। বরং হালকা হাঁটা, ইয়োগা বা স্ট্রেচিং গভীর ঘুম বাড়াতে সাহায্য করে।
"ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে যদি হালকা বা মাঝারি মানের ব্যায়াম করা হয়, তবে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না। যেমন হালকা হাঁটা, ইয়োগা বা স্ট্রেচিং। এগুলো গভীর ঘুম বা সলো-ওয়েভ স্লিপ বাড়াতে সাহায্য করে।"
জিম বা সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সন্ধ্যার ব্যায়াম সুবিধাজনক। সকাল বা বিকেলে জিমে ভিড় থাকলেও রাত ১০টার পর তা অনেকটাই ফাঁকা থাকে। ফলে পছন্দের সরঞ্জাম নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যায়াম করা যায়। এছাড়া সারা দিন ডেস্কে বসে কাজ করার পর সন্ধ্যায় হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং পেশির টান ও জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে রাতের বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিটনেস বিশেষজ্ঞগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!