📌 ভেনেজুয়েলার ছয়টি তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন মার্কিন কোম্পানি এনএবিইপির হাতে। চীনা ও রুশ প্রতিষ্ঠান পরিচালিত এসব প্রকল্পের দখল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির তেলশিল্পে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে
ভেনেজুয়েলার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন মার্কিন তেল কোম্পানি নর্থ আমেরিকান ব্লু এনার্জি পার্টনার্স (এনএবিইপি)-এর হাতে চলে যাচ্ছে। এর আগে এসব প্রকল্প পরিচালনা করত চীনা ও রুশ প্রতিষ্ঠানগুলো। স্থানীয় সময় গত সোমবার রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তেল উৎপাদন চুক্তির অংশ হিসেবে এসব তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ এনএবিইপির কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভেনেজুয়েলার ছয়টি তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে মার্কিন কোম্পানি এনএবিইপি
- 📌 এসব প্রকল্পের মধ্যে পাঁচটি পরিচালনা করত চীনা কোম্পানিগুলো, একটি পরিচালনা করত রুশ প্রতিষ্ঠান
- 📌 ভেনেজুয়েলা সরকার নতুন করে ১৪টি তেল প্রকল্পের চুক্তি দিয়েছে এনএবিইপিকে
- 📌 মার্কিন সরকার কোম্পানিটির ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা পাবে এবং উৎপাদনের ২০ শতাংশ কেনার অধিকার রাখবে
- 📌 ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলা সরকার নতুন করে যে ১৪টি তেল প্রকল্পের চুক্তি দিয়েছে, সেগুলোর সবকটিই যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত এনএবিইপি-এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কোম্পানিটি আগে মার্কিন তেল ব্যবসায়ী হ্যারি সার্জেন্টের মালিকানাধীন ছিল। বর্তমানে এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন ভেনেজুয়েলার ব্যবসায়ী আলেহান্দ্রো বেতানকোর্ট। চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে বেতানকোর্ট বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিশ্রমী মানুষ এবং কাজে লাগানো হয়নি এমন বিপুল সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। এই লেনদেন সেই সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে এবং এর মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।’
এনএবিইপি জানিয়েছে, কোম্পানিটি ব্যবসাটির পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। একই সঙ্গে মার্কিন সরকার কোম্পানিটির ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানার অধিকার পাবে। পাশাপাশি কোম্পানির উৎপাদনের ২০ শতাংশ উৎপাদনমূল্যে কেনার অগ্রাধিকারমূলক সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের থাকবে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এনএবিইপি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কোম্পানিটির বাকি ৮০ শতাংশ উৎপাদন কেনার ক্ষেত্রে প্রথমে কেনার অধিকার বা ‘রাইট অব ফার্স্ট রিফিউজাল’ও দিয়েছে।
‘আমরা শুধু মার্কিন সরকার ও মার্কিন পরিচালকদের লাভবান হওয়ার জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছি না, আমরা যুক্তরাষ্ট্রকেও এই তেলের বাজার হিসেবে খুলে দিচ্ছি। এর আগে এই তেল চীনে পাঠানো হতো।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভেনেজুয়েলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, আলেহান্দ্রো বেতানকোর্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (তেলক্ষেত্র), ১৪ (প্রকল্প), ৩৫ (শতাংশ), ২০ (শতাংশ), ৮০ (শতাংশ), ৬৪ (বিলিয়ন ব্যারেল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!