📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের সন্তোষপুর ইকোপার্ক: পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ, জীবিকা হারানোর শঙ্কায় স্থানীয়রা

ময়মনসিংহের সন্তোষপুর ইকোপার্ক: পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ, জীবিকা হারানোর শঙ্কায় স্থানীয়রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংলের ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর শালবনকে ইকোপার্ক ঘোষণা করেছে সরকার। বনাঞ্চল রক্ষার উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ৫৬৫ একর এলাকাকে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হলেও সেখানে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কৃষি অর্থনীতি চালু রয়েছে

ময়মনসিংলের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর এলাকায় অবস্থিত প্রাকৃতিক শালবন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হলেও ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। একসময় সাড়ে তিন হাজার একরের বেশি বিস্তৃত এই অরণ্যে বিভিন্ন বন্য প্রাণীর বিচরণ ছিল। কিন্তু মানুষের বসতি বিস্তার, অনিয়ন্ত্রিত চাষাবাদ ও দখলদারির কারণে তা এখন মাত্র ৫০ একরে এসে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের অধীনে এই বনাঞ্চলের ৫৬৫ একর এলাকাকে ‘ইকোপার্ক’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংলের ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর শালবন একসময় ছিল সাড়ে তিন হাজার একর বিস্তৃত
  • 📌 বর্তমানে বনাঞ্চলটির আয়তন মাত্র ৫০ একরে নেমে এসেছে
  • 📌 সরকার ৫৬৫ একর এলাকাকে ইকোপার্ক ঘোষণা করেছে
  • 📌 স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা নির্ভর করে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর
  • 📌 ইকোপার্ক ঘোষণায় স্থানীয় অধিবাসীদের জীবিকা হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে

📰 বিস্তারিত

সন্তোষপুর শালবন একসময় ছিল দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক বনাঞ্চল। বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এই বনাঞ্চলটি ধীরে ধীরে মানুষের বসতি ও চাষাবাদের কারণে সংকুচিত হয়ে আসছে। সরকারের ঘোষিত ইকোপার্ক প্রকল্পটি পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য প্রশংসিত হলেও স্থানীয় অধিবাসীদের জীবিকা নির্বাহের প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সামাজিক বনায়ন ও কৃষি বনায়ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় দেড় হাজার পরিবার সরাসরি যুক্ত রয়েছে। আনারস, হলুদ, কলা ও লেবু চাষের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। ইকোপার্কের সীমানাপ্রাচীর, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এই কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

গবেষকদের মতে, ইকোপার্ককে শুধুমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে। তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন, ইকোপার্ককে পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্র ও স্থানীয় লোকজনের কৃষিনির্ভর জীবিকা সুরক্ষার সমন্বিত মডেল হিসেবে গড়ে তোলা উচিত। সামাজিক বনায়নে যুক্ত স্থানীয়দের ইকোপার্কের রক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। বিদ্যমান কৃষিপণ্য উৎপাদনকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বনের সৌন্দর্য রক্ষা করা সম্ভব বলে মত তাঁদের।

"ইকোপার্ক ঘোষণা প্রশংসনীয় হলেও স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা রক্ষায় সরকারকে আরও সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি মানুষের বাঁচা-মরার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় কৃষক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬৫ একর (ইকোপার্ক এলাকা), ৩০০ কোটি টাকা (বার্ষিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖