📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহে হারিয়ে যাওয়া দুই অপ্রচলিত ফলের সন্ধান: তৈকর ও বনকাঁকরোল

ময়মনসিংহে হারিয়ে যাওয়া দুই অপ্রচলিত ফলের সন্ধান: তৈকর ও বনকাঁকরোল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারে দুই দশকের অনুসন্ধানে উঠে এলো হারিয়ে যাওয়া দুই অপ্রচলিত ফলের বিবরণ। তৈকর ও বনকাঁকরোল নামের এই ফল দুটির পুষ্টিগুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে জানাচ্ছেন প্রকৃতি লেখক মোকারম হোসেন

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ উদ্যান ও জার্মপ্লাজম সেন্টারে দুই দশকের অধিক সময় ধরে চলমান গবেষণা থেকে উঠে এসেছে দুই অপ্রচলিত ফলের বিশদ বিবরণ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক মোকারম হোসেন জানিয়েছেন, তৈকর ও বনকাঁকরোল নামের এই ফল দুটির নাম অনেকেই শুনেছেন, তবে চাক্ষুষ পরিচিতি বিরল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তৈকর ফলটি স্থানীয়ভাবে তিকুল বা তিকুর নামেও পরিচিত; গাছের উচ্চতা ১৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে
  • 📌 তৈকরের পরিপক্ব ফলের ওজন ৭০০ থেকে ৭৫০ গ্রাম এবং প্রতি গাছে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০টি ফল ধরে
  • 📌 তৈকরের ফলন হেক্টরপ্রতি ৭০ থেকে ৭৫ টন পর্যন্ত হতে পারে; প্রধান উৎপাদন অঞ্চল সিলেট ও রংপুর
  • 📌 বনকাঁকরোল সাধারণ কাঁকরোলের চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ বড়; ওজন প্রায় আধা কেজি
  • 📌 বনকাঁকরোলের লতা ১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং এর স্বাদ হালকা তেতো

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারে দুই দশকের গবেষণা থেকে উঠে এসেছে তৈকর ও বনকাঁকরোল নামের দুই অপ্রচলিত ফলের বিবরণ। প্রকৃতি লেখক মোকারম হোসেন জানান, তৈকর ফলটি স্থানীয়ভাবে তিকুল বা তিকুর নামেও পরিচিত। এটি একটি মাঝারি আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, যার উচ্চতা ১৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। গাছের দেহকাণ্ড খাঁজকাটা এবং বাকল গাঢ় ধূসর থেকে গাঢ় বাদামি বর্ণের। তৈকরের পরিপক্ব ফলের রং হলুদ, ওজন ৭০০ থেকে ৭৫০ গ্রাম পর্যন্ত হয় এবং প্রতি ফলে ৮ থেকে ১০টি বীজ থাকে।

তৈকর গাছ থেকে বছরে দুবার ফলন পাওয়া যায়। প্রথমবার আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরে ফুল আসে এবং নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরে ফল সংগ্রহ করা যায়। দ্বিতীয়বার ফেব্রুয়ারিতে ফুল আসে এবং এপ্রিল থেকে মে মাসে ফল সংগ্রহ উপযোগী হয়। একটি পরিণত গাছে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০টি ফল ধরে। হেক্টরপ্রতি ফলন ৭০ থেকে ৭৫ টন পর্যন্ত হতে পারে। তৈকরের প্রধান উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হয় বৃহত্তর সিলেট এলাকা। সেখানে স্থানীয়ভাবে এই ফল তরকারি, আচার, জ্যাম ও জেলি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

অপরদিকে, বনকাঁকরোল দেখতে সাধারণ কাঁকরোলের মতো হলেও আকারে দ্বিগুণ বা তিনগুণ বড়। প্রতিটি বনকাঁকরোলের ওজন প্রায় আধা কেজি। এটি একটি লতানো উদ্ভিদ, যার লতা ১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। স্বাদের দিক থেকে এটি হালকা তেতো। পাতা হৃৎপিণ্ডাকৃতি বা প্রশস্ত ডিম্বাকার এবং ফুলের রং হলুদ থেকে সাদা।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৯৬ সালে বারি তৈকর-১ নামে একটি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে। তৈকর ফলটি পুষ্টি ও ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক চকরিয়া এলাকার ফাঁসিয়াখালী বনভূমিতে বিলুপ্তপ্রায় বনকাঁকরোল খুঁজে পেয়েছেন এবং এর সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছেন।

"তৈকর ও বনকাঁকরোলের মতো অপ্রচলিত ফলগুলোর সংরক্ষণ ও প্রচার জরুরি। এসব ফলের পুষ্টিগুণ ও ঔষধি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোকারম হোসেন (প্রকৃতি লেখক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: গাছের উচ্চতা ১৮ মিটার, ফলের ওজন ৭০০-৭৫০ গ্রাম, বছরে ফলন ৭০-৭৫ টন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖