📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রশাসনের সমন্বয়ই মূল চাবিকাঠি: ডিএসসিসি প্রশাসক

মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রশাসনের সমন্বয়ই মূল চাবিকাঠি: ডিএসসিসি প্রশাসক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের ঘাটতি না থাকলেও সচেতনতার অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের ঘাটতি না থাকলেও প্রধান সমস্যা হলো জনসচেতনতার অভাব। তিনি জানান, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে লার্ভা জন্মানোর কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া হাসপাতাল ও বড় ভবনেও সচেতনতার অভাব লক্ষ করা যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের ঘাটতি না থাকলেও প্রধান সমস্যা হলো জনসচেতনতার অভাব বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম
  • 📌 বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে লার্ভা জন্মানোর কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে
  • 📌 গত বছরের তুলনায় এ বছর মশার উপদ্রব অনেকাংশে কমেছে বলে জানান আব্দুস সালাম
  • 📌 ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে জরিপ চালিয়ে ২৭টি ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
  • 📌 মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন আব্দুস সালাম

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে প্রথম আলো ডটকম আয়োজিত ‘মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা ও করণীয়’ শীর্ষক ফেসবুক লাইভে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে পার্থ শঙ্কর সাহার সঞ্চালনায় ঢাকার মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, কীটনাশকের ব্যবহার ও কার্যকারিতা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নজরদারি এবং নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়।

আব্দুস সালাম জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, ‘গত বছর এই সময়ে মশার যে উপদ্রব ছিল, এ বছর তা অনেকটা কম। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে মশা নিয়ন্ত্রণে নানারকম কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’

তিনি আরও জানান, ৭৫টি ওয়ার্ডে জরিপ চালিয়ে ২৭টি ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ওয়ার্ডে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ চালানোর পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় জনসচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

মশার ওষুধ ছিটানোর নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুস সালাম বলেন, ‘একটি জায়গায় ওষুধ দেওয়ার পর নতুন করে লার্ভা জন্মালে চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে তা মশায় রূপান্তরিত হতে পারে। তাই প্রতিদিন ওষুধ দিতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।’

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ে ওষুধ প্রয়োগ না হলে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও একটি অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকেরা অভিযোগ জানাতে পারেন। তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে সিটি করপোরেশনের কন্ট্রোল রুমের নম্বর দেওয়া আছে। পাশাপাশি একটি অ্যাপও চালু করা হয়েছে। সেখানে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

‘মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ আর জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ। দুই পক্ষের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন হলে শতভাগ ফল পাওয়া সম্ভব।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫টি (ওয়ার্ড), ২৭টি (ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ড), ৫০ শতাংশ (দায়িত্ব ভাগাভাগি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖