📌 হাম প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ নয়, বরং সময়মতো টিকাদানই একমাত্র কার্যকর পথ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, টিকাদান ব্যবস্থায় ঘাটতির কারণেই বর্তমান মহামারি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, হামের মতো মারাত্মক সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ কোনো সমাধান নয়, বরং সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানই একমাত্র পথ। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাম প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ কোনো সমাধান নয়, টিকাদানই একমাত্র কার্যকর পথ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 📌 ২০২৪ সালের টিকাদান ক্যাম্পেইনে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া এবং নীতিগত গাফিলতির কারণে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি
- 📌 আগামী অক্টোবরের মধ্যে দেশের ৫টি বিভাগীয় শহরে নতুন শিশু হাসপাতাল চালু হবে বলে ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী
- 📌 দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে বলে জানান তিনি
- 📌 প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করতে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, “২০২৪ সালের টিকাদান ক্যাম্পেইনে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া এবং নীতিগত গাফিলতির কারণে যে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তারই ফল আজকের এই মহামারি। হাজারটা ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ বেড বসিয়ে এই মৃত্যুর ঢল থামানো যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, টিকাদানের গতি শতভাগ বাড়ালেও প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। তবে এ সময়ের মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারির মাধ্যমে শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৫টি বিভাগীয় শহরে নবনির্মিত ৫টি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে।
উপজেলা পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্য (পেডিয়াট্রিকস), মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি—এই চার মূল বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে খুব দ্রুত ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি বিভাগীয় শহরে নতুন শিশু হাসপাতাল, ৫০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!