📌 খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। গত সাত দিনে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশন চারটি ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণা করে মশকনিধন অভিযান জোরদার করেছে
খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু মহামারির প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত সাত দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) চারটি ওয়ার্ডকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা মহানগরীতে গত সাত দিনে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু
- 📌 কেসিসি কর্তৃক চার ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণা
- 📌 রেড জোনে মোট ২৮৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত
- 📌 খুমেক হাসপাতালে বর্তমানে ১২৩ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন
- 📌 চলতি বছরে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের
📰 বিস্তারিত
খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। গত সাত দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় খুমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে। এর মধ্যে শুধু খুলনা জেলাতেই মারা গেছে ১৪ জন।
খুলনা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ডেঙ্গু বিস্তারে দায়ী এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরীতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। মশকনিধনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় জমে থাকা পানি অপসারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কেসিসির তৈরি পরিসংখ্যানে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩০, ২৯, ২৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ওয়ার্ডে চলতি মৌসুমে মোট ২৮৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ মো. মোশারফ হোসেন জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ৮২৩ রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ৩ হাজার ২৬৭ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত ৩৯ রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।
"খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা জেনারেল হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রতিদিন ডেঙ্গু শনাক্তের তথ্য কেসিসিতে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় পজিটিভ আসা রোগীদের তথ্যের ভিত্তিতেই ওয়ার্ডভিত্তিক আক্রান্তের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা মহানগরী
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: শেখ মো. মোশারফ হোসেন (খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক)
- 🔢 মৃত্যু: ৫ জন (সাত দিনে)
- 🔢 আক্রান্ত: ২৮৮ জন (রেড জোন ওয়ার্ডগুলোতে)
- 🔢 হাসপাতালে ভর্তি: ৫০২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!