📌 ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জাতীয় দলের বিরোধে সৌদি আরবে ফিরেছেন। নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে দল ছেড়ে যাওয়ার পর তিনি নিজের প্রাইভেট জেটে রিয়াদ উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে রোনালদো দলের ক্যাম্প ছেড়ে গেছেন
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জাতীয় দলের সঙ্গে তার লড়াই শেষ করে সৌদি আরবে ফিরেছেন। এই বিরোধের কারণে তিনি দলের ক্যাম্প ছেড়ে গেছেন এবং এবার উয়েফা নেশনস লিগের শেষ ম্যাচেও অংশ নেবেন না। সৌদি আরবে ফুটবল ক্লাব আল নাসরের সাথে তার যোগাযোগের দিকে মনোনিবেশ করছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোববার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে নরওয়ের বিপক্ষে স্বাগতিক পর্তুগালের শেষ ম্যাচে রোনালদো দল ছেড়ে যাবেন না, বরং সৌদি আরবে ফিরে যাচ্ছেন তিনি নিজের প্রাইভেট জেটে।
- 📌 মাদ্রিদ থেকে রিয়াদ পৌঁছানোর সময় (পর্তুগালের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টা ৪৪ মিনিটে) দ্রাগাও স্টেডিয়ামে পর্তুগালের দল নরওয়ের বিপক্ষে খেলবে।
- 📌 ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে দলের ক্যাম্প ছেড়ে গেছেন এবং জাতীয় দলের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ নেই।
- 📌 জর্জিনা রদ্রিগেজ কোচ জেসুসের বিরুদ্ধে সরাসরি সমালোচনা করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ‘ক্রাইস্ট’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
📰 বিস্তারিত
পর্তুগালের সংবাদমাধ্যম ‘এ বোয়া’ জানিয়েছে, রোনালদো আজ রোববার সৌদি আরবে ফিরছেন। তিনি মাদ্রিদ থেকে নিজের প্রাইভেট জেটে রিয়াদ উদ্দেশে রওনা দেবেন। গত বুধবার কোপেনহেগেনে পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার সময়ও তিনি নিজের প্রাইভেট জেট ব্যবহার করেছিলেন। পর্তুগালের সময় অনুযায়ী ফ্লাইটটি দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মাদ্রিদ থেকে ছাড়ার কথা রয়েছে এবং রিয়াদে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৭টা ৪৪ মিনিটে। ঠিক সেই মুহূর্তেই দ্রাগাও স্টেডিয়ামে স্বাগতিক পর্তুগালের দল নরওয়ের বিপক্ষে খেলবে।
রোনালদো কেন পর্তুগাল দল ছেড়ে চলে গেছেন, তা এখন পর্যন্ত সবারই জানা। এবার আন্তর্জাতিক বিরতিতে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে ওয়েলসের বিপক্ষে তিনি একাদশে ছিলেন। কিন্তু নরওয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচে কোচ জেসুস তাকে বেঞ্চে বসিয়ে দেন এবং বদলিও নামাননি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রোনালদো পরে আর অনুশীলন করেননি। ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন কোপেনহেগেন ছেড়ে যান তিনি। পর্তুগালের ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েঙ্কার সঙ্গে কথা বলার পর রোনালদো নিজেই জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার খবর জানান ফেসবুক পোস্টে। তিনি বলেছিলেন, সময়মতো কারণ জানাবেন।
রোনালদোর পরিবারও এই বিরোধে পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। রোনালদোর বড় বোন এলমা আভেইরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের জন্য আরও ভালো কাঠামো প্রাপ্য ছিল, তেমনি সিআর সেভেনও আরও বেশি সম্মান পাওয়ার যোগ্য। পর্তুগিজ জনগণের কথা যদি বলেন, সত্যি বলতে তাদের কোনো কিছুতে সেরাটা পাওয়ার যোগ্যতা নেই। আমরা ঈর্ষাকাতর, অবজ্ঞাপূর্ণ এবং ক্রিস্টিয়ানো আসার আগে ফুটবলে আমাদের সেই চিরদিনের সাধারণত্বেই ফিরে যাওয়া উচিত।’
"জাতীয় দলের যেমন আরও ভালো কাঠামো প্রাপ্য ছিল, তেমনি সিআর সেভেনও আরও বেশি সম্মান পাওয়ার যোগ্য। পর্তুগিজ জনগণের কথা যদি বলেন, সত্যি বলতে তাদের কোনো কিছুতে সেরাটা পাওয়ার যোগ্যতা নেই।"
রোনালদোর স্ত্রী জর্জিনা রদ্রিগেজ সরাসরি ফুঁসে ওঠেন কোচ জেসুসের বিরুদ্ধে। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, ‘এই মানুষের নামের সঙ্গে কীভাবে “ক্রাইস্ট” শব্দটি থাকতে পারে, আমি সেটাই বুঝতে পারছি না।’ একই পোস্টে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসনের নামে ভুলভাবে চালানো একটি উক্তি ব্যবহার করেন, ‘জর্জ জেসুস যদি মনে মনে জেনেই থাকেন যে তিনি তাঁকে (রোনালদোকে) ব্যবহার করবেন না, তবে তাঁকে দলে ডাকলেন কেন? নিজের প্রভাব দেখানোর জন্য? এটা কর্তৃত্ব নয়, এটা নিরাপত্তাহীনতা।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদ্রিদ, কোপেনহেগেন, রিয়াদ, দ্রাগাও স্টেডিয়াম (পর্তুগাল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, জর্জ জেসুস, জর্জিনা রদ্রিগেজ, এলমা আভেইরো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর, ১২টা ৪৫ মিনিট, ৫০ মিনিট, ৭টা ৪৪ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!