📌 জোহানেস কেপলারের গ্রহলোকের সংগীত তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্বের গ্রহগুলো একটি বিরাট অর্কেস্ট্রার মতো সুর সৃষ্টি করে।
জোহানেস কেপলারের গ্রহলোকের সংগীত তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্ব একটি বিরাট অর্কেস্ট্রা যেখানে সূর্য হলো দলের চালক আর গ্রহগুলো একেকটি বাদ্যযন্ত্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জোহানেস কেপলার ১৬১৯ সালে তার বই 'হারমোনাইস মুন্ডি'-তে গ্রহগতি ও সংগীতের সম্পর্ক তুলে ধরেন
- 📌 বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির সুরকার লরি স্পিগেল ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন রজার্স ও উইলি রাফের সহযোগিতায় কেপলারের ধারণাকে কম্পিউটারে বাস্তবায়ন করা হয়
- 📌 প্রাচীন চীনা দর্শন অনুযায়ী, সংগীত মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য ধরে রাখার মাধ্যম
- 📌 কেপলারের মতে, বুধ গ্রহের গতি সবচেয়ে বেশি তাই এর সুর অত্যন্ত তীক্ষ্ণ, অন্যদিকে বৃহস্পতি ও শনির গতি ধীর তাই এদের সুর গম্ভীর
📰 বিস্তারিত
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গান আছে—'আজ যেমন করে গাইছে আকাশ, তেমনি করে গাও গো'। এই গানটির প্রাসঙ্গিকতা কেপলারের গ্রহলোকের সংগীত তত্ত্বে পাওয়া যায়।
প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিশ্বাস করে আসছে, মহাবিশ্ব এক বিশাল শৃঙ্খলার নাম। গ্রিক দার্শনিক প্লেটো থেকে শুরু করে জোহানেস কেপলার পর্যন্ত, সবার মতে এই মহাবিশ্ব কেবল গাণিতিক নিয়মেই চলে না; বরং এটি এক অবিনশ্বর সুরের মূর্ছনায় বাঁধা।
কেপলার লক্ষ করেছিলেন, গ্রহগুলো তাদের কক্ষপথে চলার সময় সর্বদা একই গতিতে চলে না। যখন তারা সূর্যের কাছে আসে, তখন গতি বাড়ে আর দূরে গেলে গতি কমে যায়।
"কেপলারের মতে, পৃথিবী মাত্র দুটি স্বরের মধ্যে তার গান সীমাবদ্ধ রাখে—মি-ফা-মি। এটি শুনতে অনেকটা দীর্ঘশ্বাসের বা ব্যথার করুণ সুরের মতো শোনায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরি, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোহানেস কেপলার, লরি স্পিগেল, অধ্যাপক জন রজার্স, উইলি রাফের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!