📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, আইইডিসিআর-এর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ মডেল দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রামের সফলতা দেশের জনস্বাস্থ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে আইইডিসিআর-এর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ মডেলের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে এই প্রতিষ্ঠান দেশের জনস্বাস্থ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা রাখছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ সেপ্টেম্বর মহাখালীতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেছেন, আইইডিসিআর-এর মডেল দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
- 📌 তিনি বলেন, ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) সফলভাবে দেশের তরুণ গবেষক ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যারা বর্তমানে দেশ-বিদেশে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করছেন।
- 📌 প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সভায় দেশের দক্ষ জনশক্তি গড়ার বিষয় আলোচিত হয়েছে, কিন্তু প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে।
- 📌 সম্মেলনে প্রদর্শিত গবেষণাগুলো বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের।
- 📌 প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও সহযোগিতা দেশে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক আরও ফলপ্রসূ গবেষণার পথ উন্মোচন করবে।
📰 বিস্তারিত
‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ শীর্ষক এই সম্মেলনের যৌথ আয়োজন করেছিল আইইডিসিআর এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ (FETP,B)। এতে সহযোগিতা করছিল সেফটিনেট, এমফনেট, ইউনিসেফ ও ইউএস সিডিসি। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “আইইডিসিআর দীর্ঘদিন ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে তাদের ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম অত্যন্ত সফল। এই প্রোগ্রামের স্নাতকরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন।”
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “দেশে অনেক ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সমন্বয় ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে সীমিত সম্পদের পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।” তিনি সম্মেলনে প্রদর্শিত বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের প্রশংসা করে বলেন, “এ গবেষণাগুলো বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআর-এর পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকি এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহ। বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও পারস্পরিক সহযোগিতা দেশে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক আরও যুগোপযোগী গবেষণার পথ উন্মোচন করবে।
"আইইডিসিআর একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে তাদের ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম অত্যন্ত সফল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাখালী, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর (২০২৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!