📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ৩৮ শতাংশ বাংলাদেশি রোগী ক্ষতির মুখে পড়ে: বিবিএস জরিপ

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ৩৮ শতাংশ বাংলাদেশি রোগী ক্ষতির মুখে পড়ে: বিবিএস জরিপ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বের ১০ জন রোগীর মধ্যে একজন চিকিৎসাজনিত ক্ষতির শিকার হয়। বাংলাদেশে বিবিএসের জরিপে দেখা গেছে, ৩৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবহেলা বা অযত্নের শিকার হন। সিলেট বিভাগে এই হার সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১০ জন রোগীর মধ্যে একজন চিকিৎসা নিতে গিয়ে ক্ষতির শিকার হন। বাংলাদেশে এই সমস্যা আরও জটিল — বিবিএসের জরিপে দেখা গেছে, দেশের ৩৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসা গ্রহণকালে অবহেলা বা অযত্নের মুখোমুখি হন। গত শনিবার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস ২০২৬: অসংক্রামক রোগের জন্য নিরাপদ সেবা’ শীর্ষক সেমিনারে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বে ১০ জন রোগীর মধ্যে একজন চিকিৎসাজনিত ক্ষতির শিকার হন, প্রতি বছর ৩০ লাখেরও বেশি মৃত্যু হয় এই কারণে — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
  • 📌 বাংলাদেশে ৩৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবহেলা বা অযত্নের শিকার হন — বিবিএস জরিপ
  • 📌 সিলেট বিভাগে এই হার সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ, খুলনা বিভাগে সর্বনিম্ন ৩২.৩ শতাংশ
  • 📌 বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের কারণে প্রতি বছর মৃত্যুর ৭১ শতাংশ ঘটে — সেমিনার তথ্য
  • 📌 বিশ্বের ৩০ লাখেরও বেশি মৃত্যু প্রতিবছর চিকিৎসাজনিত ক্ষতির কারণে ঘটে, এর অর্ধেক মৃত্যু প্রতিরোধযোগ্য

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবসের উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রুমানা হক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, বৈশ্বিকভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১০ জনের মধ্যে একজন ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর সারা বিশ্বে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাজনিত ক্ষতির কারণে মৃত্যুবরণ করেন, কিন্তু এর অর্ধেক মৃত্যু প্রতিরোধযোগ্য।

বিবিএসের ২০২৫ সালের জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে ৩৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবহেলা বা অযত্নের শিকার হন। এই জরিপে দেখা গেছে, গ্রামের মানুষের মধ্যে এই হার ৩৫.৫ শতাংশ, শহুরে মানুষের মধ্যে ৪৪ শতাংশ। পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় সমান — যথাক্রমে ৩৮.৫ এবং ৩৭.৯ শতাংশ। বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিলেট বিভাগে এই হার সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ, খুলনা বিভাগে সর্বনিম্ন ৩২.৩ শতাংশ। অন্যান্য বিভাগে এই হার যথাক্রমে: ময়মনসিংহ ৪৪.২ শতাংশ, বরিশাল ৪২.৬ শতাংশ, চট্টগ্রাম ৩৯.৪ শতাংশ, ঢাকা ৩৮.৮ শতাংশ, রংপুর ৩৬.৬ শতাংশ এবং রাজশাহী ৩৩.৪ শতাংশ।

সেমিনারে ভারতের কনসোর্টিয়াম অব অ্যাক্রিডিটেড হেলথকেয়ার অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট লুলা যোসেফ বলেন, নিরাপদ চিকিৎসাসেবার বিষয়টি এখন হাসপাতালের গণ্ডির বাইরে চলে এসেছে। তিনি বলেন, নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব চিকিৎসক ও হাসপাতাল ছাড়াও সমাজ ও পরিবারেরও। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব হেলথকেয়ার ইমপ্রুভমেন্টের ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক মিনারা চৌধুরী বলেন, অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের জন্য স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীলতা থাকে। সুতরাং, সেবার মান বাড়াতে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর মৃত্যুর ৭১ শতাংশের কারণ অসংক্রামক রোগ — হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের বারবার হাসপাতালে যেতে হয় এবং দীর্ঘদিন ওষুধ খেতে হয়, যা ক্ষতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব যদি নিরাপদ চিকিৎসাসেবার সংস্কৃতি গড়ে তোলা যায়।

"বৈশ্বিকভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১০ জনের মধ্যে একজন ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রতিবছর সারা বিশ্বে ৩০ লাখেরও বেশি মৃত্যু হয় এই কারণে, কিন্তু এর অর্ধেক মৃত্যু প্রতিরোধযোগ্য।"
"নিরাপদ চিকিৎসাসেবার বিষয়টি এখন হাসপাতালের গণ্ডির বাইরে চলে এসেছে। এর দায়িত্ব চিকিৎসক ও হাসপাতাল ছাড়াও সমাজ ও পরিবারেরও।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (ব্র্যাক সেন্টার), সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক রুমানা হক, লুলা যোসেফ, মিনারা চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ শতাংশ (বাংলাদেশে ক্ষতির হার), ৪৫ শতাংশ (সিলেট বিভাগ), ৩২.৩ শতাংশ (খুলনা বিভাগ), ৭১ শতাংশ (অসংক্রামক রোগের মৃত্যুর হার), ৩০ লাখ (বিশ্বে প্রতিবছর মৃত্যু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖