📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিমালয়ের অপরিকল্পিত নির্মাণে ৩ লাখেরও বেশি মানুষের জীবন ঝুঁকিতে, গবেষণা প্রকাশিত

হিমালয়ের অপরিকল্পিত নির্মাণে ৩ লাখেরও বেশি মানুষের জীবন ঝুঁকিতে, গবেষণা প্রকাশিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হিমালয় অঞ্চলে অপরিকল্পিত নির্মাণে দুর্যোগের ঝুঁকিতে পড়েছে অন্তত ৩ লাখ মানুষ। গবেষণা জানায়, ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। পর্যটন কেন্দ্র পোখারা থেকে শুরু করে ধর্মীয় তীর্থস্থান পর্যন্ত এ ঝুঁকির আওতায় রয়েছে

হিমালয় অঞ্চলে অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে পড়েছে অন্তত ৩ লাখ মানুষ। যুক্তরাজ্য, নেপাল ও ভারতের গবেষকদের এক নতুন গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, হিমালয়ের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে নির্মাণকাজের পরিমাণ ৪৫ শতাংশ বেড়েছে এবং নির্মিত এলাকার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হিমালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছেন অন্তত ৩ লাখ মানুষ, সম্ভাব্য দুর্যোগের ঝুঁকিতে
  • 📌 ২০১৬-২০২৩ সালের মধ্যে হিমবাহের হ্রদ থেকে সৃষ্ট বন্যার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
  • 📌 নির্মিত এলাকার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে
  • 📌 নেপালের পোখারা, ভারতের উত্তরাখন্ড ও তিব্বতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এলাকায় নির্মাণের বিস্তার সর্বাধিক
  • 📌 পর্যটন কেন্দ্র পোখারা ও ধর্মীয় তীর্থস্থানগুলিতে অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণে ঝুঁকি বেড়েছে
  • 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যটনসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, অবকাঠামো ও আবাসন নির্মাণের বিস্তার সর্বাধিক

📰 বিস্তারিত

হিমালয়ের নদীগুলোর ভাটির দিকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা এবং প্রায় ১ হাজার ৩৬০টি হিমবাহের হ্রদের আশপাশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গবেষণাটি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, হিমবাহের হ্রদ থেকে সৃষ্ট বন্যার ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে নির্মাণকাজ দ্রুত বেড়েছে। গত আগস্টে নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু এবং হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার আগেই গবেষণাটি করা হয়েছিল। এরপরও দেশটিতে বেশ কয়েকটি ছোট আকারের দুর্যোগ ঘটেছে। এর মধ্যে ১১ অক্টোবর বুধবার গণ্ডকী নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যায় ২০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পাঁচটি সেতু ভেসে যায় এবং পাঁচজন নিখোঁজ হন।

নেপালের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র পোখারায় এই পরিবর্তন স্পষ্ট। গত ৩০ বছরে শহরটির ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। পোখারার মেয়র ধনা রাজ আচার্য বলেছেন, সেটি গণ্ডকী নদীর কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলা করা বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, ‘নদীর তীর থেকে মাত্র ৫ মিটার দূরেও অনেক পুরোনো ভবন রয়েছে। নতুন বিধিতে নদীর তীর থেকে আরও দূরে ভবন নির্মাণের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে পরিস্থিতি বদলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ভবনগুলো কোথায় সরানো হবে এবং কীভাবে সরানো হবে, সেটিই আসল চ্যালেঞ্জ।’

পোখারার উত্তরে অবস্থিত বিশ্বখ্যাত অন্নপূর্ণা ট্রেকিং অঞ্চলেও নদীর তীর ঘেঁষে বসতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে এসব বসতির কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার একটি হোমস্টে পরিচালনা করেন ফুরপা ছিরিং লামা। তিনি বলেন, ‘আমরা ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্যবসা করছি, কিন্তু এ ধরনের দুর্যোগ কখনো দেখিনি। বছরের এই সময়ে, অর্থাৎ ট্রেকিংয়ের ভরা মৌসুমে, আমার ২০টি কক্ষই সাধারণত পর্যটকে পূর্ণ থাকে। কিন্তু এখন মাত্র পাঁচটি কক্ষ ভাড়া হয়েছে।’

হিমবাহের পানি থেকে সৃষ্ট মোদি নদীর কাছাকাছি একটি হোটেল পরিচালনা করেন কৃষ্ণ গাউচান। তিনি উদ্বিগ্নভাবে বলেছেন, ‘হিমবাহ ধসে পড়লে কিংবা হিমবাহের হ্রদ ভেঙে পানি বেরিয়ে এলে এই নদীতে বন্যা হতে পারে। আমরা সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি।’ ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ খগেন্দ্র পৌডেলের মতে, পর্যটন খাতের বিনিয়োগকারীরা এসব স্থানের সম্ভাব্য বিপদ বিবেচনায় না নিয়েই কোনো কোনো জায়গাকে পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রচার করছেন।

গবেষণাটির প্রধান লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব লিডসের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ সি স্কট ওয়াটসন সতর্ক করে বলেছেন, ‘নদী উপত্যকাগুলোতে জনবসতি যত বাড়ছে, আজ উন্নয়ন নিয়ে যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা আগামী কয়েক দশক ধরে দুর্যোগের ঝুঁকির ধরন নির্ধারণ করবে।’

"নদীর তীর থেকে মাত্র ৫ মিটার দূরেও অনেক পুরোনো ভবন রয়েছে। নতুন বিধিতে নদীর তীর থেকে আরও দূরে ভবন নির্মাণের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে পরিস্থিতি বদলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ভবনগুলো কোথায় সরানো হবে এবং কীভাবে সরানো হবে, সেটিই আসল চ্যালেঞ্জ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হিমালয় অঞ্চল (নেপাল, ভারতের উত্তরাখন্ড, তিব্বতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল), পোখারা (নেপাল), অন্নপূর্ণা ট্রেকিং অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধনা রাজ আচার্য (পোখারার মেয়র), ফুরপা ছিরিং লামা (হোমস্টে পরিচালক), কৃষ্ণ গাউচান (হোটেল পরিচালক), খগেন্দ্র পৌডেল (ভূগোলবিদ), সি স্কট ওয়াটসন (হিমবাহ বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ (জন), ৪৫ শতাংশ (নির্মাণ বৃদ্ধি), ৭৮ শতাংশ (নির্মিত এলাকা বৃদ্ধি), ১ হাজার ৪০০ জন (নেপালে মৃত্যু), ২০০টি বাড়ি (ক্ষতিগ্রস্ত), ৫০ কিলোমিটার (গবেষণা এলাকা), ১ হাজার ৩৬০টি (হিমবাহের হ্রদ), ৪০ বছর (ব্যবসা সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖