📌 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে নতুন করে ম্যালেরিয়া ও এইচআইভি-এইডসসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি উদ্যোগে কলেরা টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে কলেরা নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে নতুন করে ম্যালেরিয়া, এইচআইভি-এইডসসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। তবে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকার অনেকাংশে সফল হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অসচেতনতা ও অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশে নতুন করে ম্যালেরিয়া ও এইচআইভি-এইডসের মতো রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে
- 📌 চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকার অনেকাংশে সফল হয়েছে
- 📌 অসচেতনতা ও অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণে মানুষ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের মুখোমুখি হচ্ছে
- 📌 আগামী ২২ আগস্ট থেকে মুখে খাওয়ার কলেরা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হবে
- 📌 সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কলেরা-জনিত মৃত্যুহার ৯০ শতাংশ কমানো
- 📌 কলেরা টিকাদান কর্মসূচিতে মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, করোনা মহামারির সময়ের মতো হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও পরিচ্ছন্নতার সঠিক চর্চা বাড়ালে যেকোনো মহামারি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই টিকা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। তীব্র সংক্রমণে আক্রান্ত ব্যক্তি ও টিকার উপাদানে গুরুতর অ্যালার্জি থাকলে তাঁদেরও টিকা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে কলেরা-জনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুহার ৯০ শতাংশ কমানো।
হালিমুর রশিদ আরও জানান, এই টিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় করে কলেরার জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করে। তবে টিকাদানের পাশাপাশি নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জনকে ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ৫৪ ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
"প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে কলেরা ৯০ শতাংশ কমিয়ে পুরোপুরি নির্মূল করার বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি শুরু হলো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক হালিমুর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জন, ৯০ শতাংশ, ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ৫৪ ডোজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!