📌 গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলে গত ৫০ বছরে ১১.৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ পানি হয়ে সমুদ্রে মিশেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, উষ্ণ মহাসাগরের কারণে ৮৪% বরফ সমুদ্রে গলে পড়েছে
গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলার হার দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। গত ৫০ বছরে এই দুই মেরু অঞ্চল থেকে মোট ১১.৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলে সমুদ্রে পানি হয়ে মিশেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১.১ ইঞ্চি বা প্রায় ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের নর্থামব্রিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষক ইনেস ওটোসাকার নেতৃত্বে পরিচালিত নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ৫০ বছরে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা থেকে মোট ১১.৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলে গেছে
- 📌 সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ সেন্টিমিটার
- 📌 গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১.৮ সেন্টিমিটার, অ্যান্টার্কটিকার কারণে ১.৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি
- 📌 উষ্ণ মহাসাগরের কারণে ৮৪% বরফ সমুদ্রে গলে পড়েছে, শুধু ১৬% বরফ গরমে গলেছে
- 📌 ১৯৭০-এর দশক থেকে বরফ গলার হার ২০১০-এর দশকে বহুগুণ বেড়েছে
📰 বিস্তারিত
গবেষকদের তথ্যমতে, ১৯৭০-এর দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত স্যাটেলাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১.৮ সেন্টিমিটার এবং অ্যান্টার্কটিকার কারণে ১.৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, পূর্ব অ্যান্টার্কটিকায় সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড তুষারপাতের কারণে বরফ হ্রাসের গতি কিছুটা মন্থর হয়েছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্বস্তির বার্তা নয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের উষ্ণতা বাড়ায় হিমবাহের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, উষ্ণ মহাসাগরের প্রভাবে হিমবাহগুলো ভেঙে সমুদ্রে প্রায় ৮৪ শতাংশ বরফ গলে পড়েছে এবং মাত্র ১৬ শতাংশ বরফ উপরিভাগের গরমে গলেছে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে আগামী দিনে বিশ্বের উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ ঝুঁকির মুখে পড়বেন।
"১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে বরফ গলার হার কম থাকলেও ২০১০-এর দশকে তা বহুগুণ বেড়ে গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকায় রেকর্ড তুষারপাতের ফলে বরফ হ্রাসের গতি কিছুটা মন্থর হয়েছিল। এই স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্বস্তির বার্তা দেয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড, অ্যান্টার্কটিকা, যুক্তরাজ্য (নর্থামব্রিয়া ইউনিভার্সিটি)
- 👥 গবেষক: ইনেস ওটোসাকার (নর্থামব্রিয়া ইউনিভার্সিটি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলা, ৩ সেন্টিমিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি, ৮৪% বরফ সমুদ্রে গলে পড়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!