📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ঘোষণা করেন, সরকার হৃদরোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্মত, সাশ্রয়ী ও দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল গড়ে তুলবে। এতে হৃদরোগে আক্রান্তদের পুনরায় সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে ব্যায়ামভিত্তিক পুনর্বাসন ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বিত কৌশল বাস্তবায়িত হবে
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশ সরকার হৃদরোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্মত, সাশ্রয়ী এবং দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন (হৃদরোগ পুনর্বাসন) মডেল গড়ে তুলবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ নীতিগত ও কাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার হৃদরোগ পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক মানের মডেল গড়ে তুলবে, যা সাশ্রয়ী ও দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
- 📌 দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে, এর মধ্যে হৃদরোগ অন্যতম প্রধান কারণ
- 📌 ২০২২ সালের জরিপে দেখা যায়, মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশ হৃদরোগজনিত জটিলতায় ঘটে
- 📌 হৃদরোগ পুনর্বাসনে ব্যায়ামভিত্তিক কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় এবং হাসপাতালে পুনঃভর্তি হ্রাস করে
- 📌 গবেষণা প্রকল্পে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে, কারণ রোগীরা উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার সম্মুখীন হন
- 📌 গবেষণার ফলাফলকে জনস্বাস্থ্য নীতি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রয়োগ করা হবে
- 📌 স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে বর্তমান সরকার
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে ‘সাশ্রয়ী হৃদরোগ পুনর্বাসন: সমন্বিত কৌশলগত প্রচার ও গবেষণা’ শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের গবেষণা থেকে জানা যায়, ব্যায়ামভিত্তিক কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন হৃদরোগে আক্রান্তদের পুনরায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় এবং তাদের জীবনমান উন্নত করে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হৃদরোগের চিকিৎসা শুধু ক্লিনিক্যাল সেবায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। রোগীরা উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও মানসিক সংকটের সম্মুখীন হন, বিশেষ করে কর্মক্ষম বয়সের মানুষদের ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ। এ গবেষণায় শারীরিক পুনর্বাসনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
গবেষণা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফলকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। এসব ফলাফলকে বাস্তবসম্মত জনস্বাস্থ্য নীতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োগ করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং স্বাধীনতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ স্বাস্থ্য খাতে নিশ্চিত করেছে।
"দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৬৭ শতাংশই অসংক্রামক রোগের কারণে হচ্ছে। এসব রোগের মধ্যে হৃদরোগ অন্যতম প্রধান মৃত্যুর কারণ। ২০২২ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, দেশে মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশ হৃদরোগজনিত জটিলতায় ঘটে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, গবেষণা প্রকল্পের প্রধান অধ্যাপক রড এস টেলর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭ শতাংশ (মোট মৃত্যুর), ২১ শতাংশ (হৃদরোগজনিত মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!