📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বের অর্ধেক কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত: বাংলাদেশে ব্যবহার ১০ গুণ বেড়েছে পাঁচ দশকে

বিশ্বের অর্ধেক কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত: বাংলাদেশে ব্যবহার ১০ গুণ বেড়েছে পাঁচ দশকে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বের প্রায় ৪৬ শতাংশ কৃষক প্রতিবছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। বাংলাদেশে ১৯৭২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে কীটনাশক ব্যবহার ১০ গুণ বেড়েছে। গবেষণা বলছে, প্রতি বছর বিশ্বে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এই বিষক্রিয়ায়, যার ৬০ শতাংশ ভারতেই ঘটে।

বিশ্বের প্রায় অর্ধেক কৃষক প্রতিবছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। গবেষণা প্রকাশ করেছে যে, ফসল রক্ষার জন্য ব্যবহৃত এই রাসায়নিকগুলো কৃষকদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশে কীটনাশক ব্যবহার পাঁচ দশকে প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে, যা দেশের কৃষকদের জন্য বিপদজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতিবছর বিশ্বের ৪৬ শতাংশ কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন, যার মধ্যে ৪০ কোটি থেকে ৪৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের তীব্র বিষক্রিয়া ঘটে
  • 📌 বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে কীটনাশক ব্যবহার ছিল ৪ হাজার টন, যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ হাজার টনে — ১০ গুণ বৃদ্ধি
  • 📌 ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কীটনাশক ব্যবহার ৮১ শতাংশ বেড়েছে, ২০২৩ সালে ব্যবহার হয়েছিল ৩৯ হাজার ১৫৭ টন
  • 📌 বিশ্বে প্রতি বছর ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় কীটনাশকের বিষক্রিয়ায়, যার ৬০ শতাংশ ঘটে ভারতেই
  • 📌 বাংলাদেশে কীটনাশকের বাজারের আকার ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা, যার ৯০ শতাংশ আমদানি নির্ভর

📰 বিস্তারিত

ধানের খেত, শাকসবজির বাগান বা ফলের বাগান — সব জায়গায় কীটনাশক ব্যবহার করা হয় ফসল রক্ষার জন্য। কিন্তু এই রাসায়নিকগুলো কৃষকদের নিজেদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের গবেষণা অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ৪০ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪৩ কোটি ৩০ লাখ কৃষক ও কৃষিশ্রমিক অনিচ্ছাকৃতভাবে কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। বিশ্বের মোট কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৯৩ কোটি ৪০ লাখ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিবছর প্রায় ৪৬ শতাংশ কৃষকই এই বিষক্রিয়ার শিকার হন।

বিশ্বের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া সবচেয়ে বেশি বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। ১৯৭২ সালে দেশে কীটনাশক ব্যবহার ছিল মাত্র ৪ হাজার টন, যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ হাজার টনে — অর্থাৎ পাঁচ দশকে এর ব্যবহার ১০ গুণ বেড়েছে। গত তিন বছরে (২০১৯-২০২২) কীটনাশক ব্যবহার ৮১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালে দেশে কীটনাশক ব্যবহার হয়েছিল ৩৯ হাজার ১৫৭ টন। ধান, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে এই কীটনাশক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

বিশ্বে প্রতি বছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আনুমানিক ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ মৃত্যু ঘটে ভারতেই। পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক জয়কুমার চেলাটন বলেছেন, ‘এই গবেষণা এমন এক সংকটের চিত্র তুলে ধরেছে, যাকে আর উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।’ গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সুপারিশ অনুযায়ী অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশকের ব্যবহার ধীরে ধীরে বন্ধ করার প্রয়োজন।

বাংলাদেশে কীটনাশকের বাজারের আকার প্রায় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল বাজারের ৯০ শতাংশই আমদানি নির্ভর, যেখানে স্থানীয় উৎপাদনকারীদের অংশ খুবই সামান্য। কৃষকরা প্রায়শই নিরাপত্তা সামগ্রী যেমন মাস্ক বা গ্লাভস ব্যবহার না করে কীটনাশক প্রয়োগ করেন, ফলে তারা সরাসরি বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসেন।

"এই গবেষণা এমন এক সংকটের চিত্র সামনে এনেছে, যাকে আর উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।"
"প্রতিবছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় বিশ্বে আনুমানিক ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া, ভারত, বিশ্বের ৯০টি দেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়কুমার চেলাটন (পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়া), কৃষক ও কৃষিশ্রমিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ শতাংশ (বিশ্বের কৃষকদের বিষক্রিয়া), ৪০ কোটি-৪৩ কোটি ৩০ লাখ (বিষক্রিয়া ঘটা মানুষ), ১০ গুণ (বাংলাদেশে ব্যবহার বৃদ্ধি), ৮১ শতাংশ (২০১৯-২০২২ বৃদ্ধি), ৩৯ হাজার ১৫৭ টন (২০২৩ ব্যবহার), ১১ হাজার (বিশ্বে মৃত্যু), ৬০ শতাংশ (ভারতের মৃত্যু), ৫-৭ হাজার কোটি টাকা (বাজার আকার), ৯০ শতাংশ (আমদানি নির্ভর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖