📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে বৃদ্ধ ও মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। তিনি বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন। যশোরে অনুষ্ঠিত চাকরি মেলায় তিনি মাইক্রোক্রেডিট খাতের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বৃদ্ধ ও মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনার কথা জানিয়ে বলেছেন, কেউ কেউ বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তিনি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) যশোরের পিটিআই হলরুমে অনুষ্ঠিত চাকরি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিতর্ক প্রতিরোধ: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন
- 📌 বৃদ্ধ-মায়েদের নিরাপত্তা: সংশোধনী আনা হয়েছে বৃদ্ধ ও মায়েদের সম্পত্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
- 📌 চাকরি মেলা: যশোরে অনুষ্ঠিত মাইক্রোক্রেডিট চাকরি মেলায় ৩৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, ২২ হাজার আবেদন পড়ে, ১ হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দেওয়া হয়
- 📌 অর্থনৈতিক ভূমিকা: মন্ত্রী মাইক্রোক্রেডিট খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন, তরুণদের কর্মসংস্থান ও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এর অবদান উল্লেখ করেন
📰 বিস্তারিত
শনিবার বিকেলে (১২ সেপ্টেম্বর, ০৯:০৯ পিএম) যশোরের পিটিআই হলরুমে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি কর্তৃক আয়োজিত চাকরি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৃদ্ধ ও মায়েদের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আমরা এই আইনে সংশোধনী এনেছি বিশেষ করে বৃদ্ধ ও মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্রঋণ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতে তরুণদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত চাকরি মেলায় ৩৭টি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য ২২ হাজার আবেদন জমা পড়ে, যার মধ্যে ১ হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির কাছ থেকে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিরা তাদের নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।
"ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর, পিটিআই হলরুম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন খোকন, মোহাম্মদ আশেক হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭টি প্রতিষ্ঠান, ২২ হাজার আবেদন, ১ হাজার ১১৫ জন চাকরি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!