📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীর কেন এই মৃদু স্পন্দন? বিজ্ঞানীরা এখনো খুঁজছেন রহস্য

২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীর কেন এই মৃদু স্পন্দন? বিজ্ঞানীরা এখনো খুঁজছেন রহস্য

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পৃথিবী প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর একটি মৃদু ভূকম্পন অনুভব করে। এই ‘২৬-সেকেন্ড মাইক্রোসিজম’ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। গবেষণা থেকে জানা যায়, সম্ভবত গিনি উপসাগরের সমুদ্রের ঢেউ বা ভূগর্ভস্থ কার্যকলাপ এর পেছনে দায়ী হতে পারে

পৃথিবী প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর একটি মৃদু, নিয়মিত ভূকম্পন অনুভব করছে। এই ‘২৬-সেকেন্ড মাইক্রোসিজম’ বা পৃথিবীর স্পন্দন নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন গবেষণা করলেও এর সুনির্দিষ্ট উৎস এখনো অজানা। গবেষকরা বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণের মধ্যে সমুদ্রের ঢেউ, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং ভূগর্ভস্থ তরল পদার্থের অনুরণনকে উল্লেখ করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পৃথিবী প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর একটি মৃদু ভূকম্পন অনুভব করে, যা ‘২৬-সেকেন্ড মাইক্রোসিজম’ নামে পরিচিত।
  • 📌 ১৯৬০-এর দশকে জ্যাক অলিভার প্রথম এই স্পন্দনটি পর্যবেক্ষণ করেন, কিন্তু তখন যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার কারণে এর উৎস ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি।
  • 📌 গবেষণা থেকে জানা যায়, গিনি উপসাগরের বাইট অব বনি অঞ্চল এই স্পন্দনের সম্ভাব্য উৎস। তবে ঠিক কীভাবে এই কম্পন সৃষ্টি হয়, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
  • 📌 ২০২৬ সালের একটি গবেষণা থেকে প্রমাণ মিলেছে যে, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট দীর্ঘ ঢেউ গিনি উপসাগরে পৌঁছালে এই স্পন্দন জোরালো হতে পারে।
  • 📌 বিজ্ঞানীরা এখনো এই স্পন্দনের সঙ্গে কোনো বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সরাসরি সম্পর্ক খুঁজে পাননি।

📰 বিস্তারিত

১৯৬০-এর দশকের শুরুতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লামন্ট-ডোহার্টি জিওলজিক্যাল অবজারভেটরির ভূতাত্ত্বিক জ্যাক অলিভার প্রথম এই নিয়মিত স্পন্দনটি নথিভুক্ত করেন। তবে সে সময়ের যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার কারণে এর উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী গবেষণায় গিনি উপসাগরের বাইট অব বনি অঞ্চল এই স্পন্দনের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে চিহ্নিত হয়।

গবেষকদের মধ্যে একটি মত হল, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট দীর্ঘ ঢেউ গিনি উপসাগরে পৌঁছালে সমুদ্র ও ভূত্বকের মধ্যে বিশেষ ধরনের কম্পন সৃষ্টি হয়। ২০১৩ সালের একটি গবেষণায় এই অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউয়ের ভূমিকা প্রমাণিত হয়। অন্যদিকে, কিছু গবেষক ভূগর্ভস্থ আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ বা তরল পদার্থে পূর্ণ ফাটলের অনুরণনকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত Nature Communications-এ একটি গবেষণায় সমুদ্রের দীর্ঘ ঢেউ এবং ২৬ সেকেন্ডের স্পন্দনের মধ্যে সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়। গবেষকরা দূরবর্তী ঝড়ের কারণে সৃষ্ট ঢেউ গিনি উপসাগরে পৌঁছালে এই স্পন্দন জোরালো হতে পারে, এমন তথ্য তুলে ধরেছেন। তবে ঠিক কীভাবে এই স্পন্দন সৃষ্টি হয়, তা এখনো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞানীরা এই স্পন্দনকে সাধারণ ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করেন না। এটি দীর্ঘ সময় ধরে শনাক্ত হওয়া একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের দুর্বল ভূকম্পন সংকেত। গবেষণায় এর সঙ্গে কোনো বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সরাসরি সম্পর্ক খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

"২৬ সেকেন্ডের স্পন্দনকে সাধারণ ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের দুর্বল ভূকম্পন সংকেত, যা দীর্ঘ সময় ধরে শনাক্ত হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গিনি উপসাগর, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিম আফ্রিকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যাক অলিভার (ভূতাত্ত্বিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ সেকেন্ড (স্পন্দনের সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖