📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযানে গিয়ে লালমাটিয়ার নিউ কলোনিতে বাসিন্দা এক বৃদ্ধের প্রশ্নে সিটি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। বাসিন্দা বলেন, ‘মিউনিসিপ্যালিটি করবে, আমরা করবনি?’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযানে গিয়ে লালমাটিয়ার নিউ কলোনিতে এক বৃদ্ধ বাসিন্দার প্রশ্নে সিটি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। অভিযানকালে এক ঘরের পাশে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়ার পর প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বৃদ্ধকে সতর্ক করেন, ‘আপনার ঘরে মশার জন্য দাঁড়ানো যাচ্ছে না। এডিস মশা প্রথমে আপনার বাড়ির মানুষকেই কামড়াবে।’ কিন্তু বৃদ্ধ উত্তর দেন, ‘আমি ২৬ বছর আইজি, কোনো আইসিইউর ভিতর যাই নাই। এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা নাই, তাই মশার উৎপাদন বেশি।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এটা মিউনিসিপ্যালিটি করবে, আমরা করবনি?’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **লালমাটিয়া নিউ কলোনিতে** ডিএনসিসির ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচির ৮ম দিনে অভিযানে বাসিন্দা বৃদ্ধের প্রশ্নে সিটি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান
- 📌 **বৃদ্ধ বাসিন্দা** বলেন, ‘মিউনিসিপ্যালিটি করবে, আমরা করবনি?’ — এডিস মশার লার্ভা জন্মানোর জায়গা পরিষ্কার করার দায়িত্ব সিটি কর্তৃপক্ষের বলে দাবি
- 📌 **ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী** বলেন, ‘প্রত্যেক বাড়ির পেছনে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে মশার লার্ভা জন্মায়। এসব জায়গা পরিষ্কার না করলে রোগীরা আইসিইউতে যেতে পারে’
- 📌 **১০০টি হটস্পটে ১০০ দিনে ১০০ জন কর্মী নিয়ে** ডিএনসিসি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচি চালাচ্ছে
- 📌 **১২ সেপ্টেম্বর** থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) অষ্টম দিনে অভিযান চলছে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযানে গিয়ে লালমাটিয়ার নিউ কলোনিতে এক বৃদ্ধ বাসিন্দা সিটি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করেন, ‘মিউনিসিপ্যালিটি করবে, আমরা করবনি?’ এই প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি বাসস্থানের পাশের জায়গায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মানোর দায়িত্ব সিটি কর্তৃপক্ষের উপর নিক্ষেপ করেন। অভিযানকালে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বৃদ্ধকে বলেন, ‘আপনার ঘরে মশার জন্য দাঁড়ানো যাচ্ছে না। এডিস মশা প্রথমে আপনার বাড়ির মানুষকেই কামড়াবে। পরিস্থিতি খারাপ হলে রোগীকে আইসিইউতে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।’
বৃদ্ধ উত্তর দেন, ‘আমি আইজি ২৬ বছর, কোনো আইসিইউর ভিতর যাই নাই। এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা নাই, তাই মশার উৎপাদন বেশি।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘স্যার, এখানে তো মশার উৎপাদন বেশি। কারণ, এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা নাই। তাহলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করবে কে?’ প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জবাব দেন, ‘এটা মিউনিসিপ্যালিটি করবে, আমরা করবনি?’
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘গভর্নমেন্ট কর্মকর্তাদের বাসস্থান তুলনামূলকভাবে ভালো, কিন্তু সমস্যা বেশি ভবনের পেছনে। প্রত্যেক বাড়ির পেছনে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, ময়লা জমে থাকে। এসব জায়গায় এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। আমাদের উদ্দেশ্য মানুষকে সচেতন করা এবং এসব জায়গা পরিষ্কার রাখতে উৎসাহিত করা।’
১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ‘একশোতে একশো’ কর্মসূচির আওতায় আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) অষ্টম দিনে অভিযান চলছে। এই কর্মসূচিতে ১০০টি হটস্পটে ১০০ দিনে প্রতিদিন ১০০ জন কর্মী নিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশকনিধন অভিযান চালানো হবে। এর লক্ষ্য এডিস মশার প্রজননস্থল শতভাগ ধ্বংস করা।
"আমাদের উদ্দেশ্য মানুষকে সচেতন করা। সাধারণ মানুষকে শেখানো—কোথায় কোথায় এডিস মশা বংশবিস্তার করার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এসব জায়গা যাতে তৈরি না হয় এবং লার্ভা যাতে জন্মাতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমাটিয়া নিউ কলোনি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, বৃদ্ধ বাসিন্দা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি হটস্পট, ১০০ দিন, ১০০ জন কর্মী, ২৬ বছর (বৃদ্ধের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!