📌 বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত আলোচনা করেছেন। ই-হেলথ ব্যবস্থা, ডায়াবেটিস চিকিৎসা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের কথা আলোচনা হয়েছে
১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে ডেনমার্কের সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা নির্ধারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিতের নেতৃত্বে এই বৈঠকে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়গুলো আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায়** ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিতের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 **ই-হেলথ ব্যবস্থা** গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়ে ডেনমার্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী
- 📌 **তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে** সহযোগিতা: ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা, নির্যাতিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ
- 📌 **ঢাকার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার** প্রকল্পে ডেনমার্কের ৩০০ মিলিয়ন ইউরো অর্থায়ন; বাস্তবায়িত হলে ৭০ থেকে ৯০ লাখ মানুষের নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে
- 📌 **জলবায়ু পরিবর্তন ও নিরাপদ পানি সরবরাহ** নিয়ে আলোচনা; ডেনমার্কের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ পানীয় জলের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ডেনমার্ক দূতাবাসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ই-হেলথ সিস্টেম উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ ই-হেলথ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি ডেনমার্কের ই-হেলথ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এগুলো হলো ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের জন্য পুনর্বাসন সেবা জোরদার করা এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় সহযোগিতা।
বৈঠকে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। ডেনমার্ক বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছে। লবণাক্ততার ক্রমবর্ধমান প্রভাব, বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব মোকাবিলায় এ সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়াও, ঢাকার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগারের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ডেনমার্ক ইউরো ৩০০ মিলিয়ন অর্থায়নে অংশ নিচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার ৭০ থেকে ৯০ লাখ মানুষের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহে সহায়তা করবে। বৈঠকে দুই পক্ষ স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র চিহ্নিত করে পরবর্তী কার্যক্রম সমন্বয়ের বিষয়ে একমত হয়।
"বাংলাদেশ-ডেনমার্ক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ডেনমার্ক দূতাবাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার (ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত), ডা. এমএ মুহিত (স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ মিলিয়ন ইউরো (পানি প্রকল্পের অর্থায়ন), ৭০-৯০ লাখ (ঢাকার মানুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!