📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পেটের স্বাস্থ্য নষ্ট করতে পারে যেসব দৈনন্দিন

পেটের স্বাস্থ্য নষ্ট করতে পারে যেসব দৈনন্দিন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাবারের সময় ফোন দেখা, সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া বা রাতে একসঙ্গে বেশি পানি খাওয়া— এমন কয়েকটি অভ্যাস নিয়মিত চললে হজম প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি

খাবারের সময় ফোন দেখা, সকালে না খেয়ে থাকা কিংবা রাতে একসঙ্গে বেশি পানি পান করার মতো দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো নিয়মিত চলতে থাকলে তা পেটের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এমন আটটি অভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন, যেগুলো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

🔴 প্রধান তথ্য

  • 📌 খাবারের সময় ফোন দেখা মস্তিষ্ককে পেট ভরে যাওয়ার সংকেত পাঠাতে বাধা দেয়
  • 📌 এলোমেলোভাবে সকালের খাবার বাদ দেওয়া শরীরে চাপ সৃষ্টি করতে পারে
  • 📌 প্রতিটি খাবারের পর অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া অন্ত্রের জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে
  • 📌 ব্যথানাশক ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার পাকস্থলীর আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে
  • 📌 সারাদিন পানি না খেয়ে রাতে একসঙ্গে বেশি পানি পান করা স্বাস্থ্যকর নয়
  • 📌 পায়খানার বেগ চেপে রাখলে ধীরে ধীরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি হতে পারে
  • 📌 খাবারের মধ্যবর্তী বিরতি হজমতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
  • 📌 ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে খাবার খাওয়া হজম প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে

📰 বিস্তারিত

খাবারের সময় ফোন দেখা এখন অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ডা. সৌরভ শেঠির মতে, খাবারের সময় ফোনে মনোযোগ আটকে থাকলে মস্তিষ্কের কাছে পেট ভরে যাওয়ার সংকেত ঠিকভাবে পৌঁছাতে সমস্যা হতে পারে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তাই খাবারের সময় ফোনটি কিছুক্ষণের জন্য দূরে রাখা শুধু টেবিলের শিষ্টাচার নয়, স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস তৈরিরও একটি অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সকালের খাবার নিয়মিত বাদ দেওয়ার অভ্যাস সম্পর্কে ডা. শেঠি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং নিয়ে আলোচনা থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এলোমেলোভাবে খাবার বাদ দেওয়া শরীরে চাপ তৈরি করতে পারে এবং হজমের স্বাভাবিক গতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আর ইচ্ছেমতো সকালের খাবার বাদ দেওয়া দুটি এক বিষয় নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিটি খাবারের শেষে অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস অন্ত্রের জীবাণুর ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ডা. শেঠি। বিশেষ করে অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে মিষ্টির প্রতি আকাঙ্ক্ষা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে তিনি জানান। তাই প্রতিটি খাবারের পর মিষ্টি খাওয়াকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত না করাই ভালো বলে পরামর্শ দেন তিনি।

"খাবারের সময় ফোন দূরে রাখা, নিয়মিত পানি পান করা, শরীরের স্বাভাবিক সংকেত উপেক্ষা না করা, অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার কমানো এবং ঘুমের আগে খাবার না খাওয়ার মতো ছোট পরিবর্তন দৈনন্দিন রুটিনকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ক্যালিফোর্নিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. সৌরভ শেঠি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖