📌 সরকারের উদ্যোগে কলেরা প্রতিরোধে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রথম ধাপে টিকাদান চলছে। দুই ডোজের এই টিকা আগামী দুই মাসে শেষ হবে
ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬ : কলেরা প্রতিরোধে সরকারের বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা কর্মসূচি শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা গ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, সরকারের এই উদ্যোগ তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলেরা প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা প্রদান শুরু হয়েছে
- 📌 কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রথম ধাপে টিকাদান চলছে
- 📌 দুই ডোজের টিকা প্রদান করা হবে: প্রথম ডোজ ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর এবং দ্বিতীয় ডোজ ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত
- 📌 কর্মসূচিতে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
- 📌 টিকা কার্যকর থাকবে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত
📰 বিস্তারিত
সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাজধানীর আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকা গ্রহণ করছেন। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফাতেমা আক্তার নামের এক মা তার চার বছর বয়সী মেয়ে নওরিন আক্তার জুঁইকে নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসেন। তিনি বলেন, ‘মেয়ের প্রায়ই পেটের সমস্যা হতো। সরকারের এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ।’ অন্যদিকে, পলি সরকার নামের আরেক মা তার দুই বছর বয়সী ছেলে অর্ণব সরকারকে টিকা খাওয়ান। তিনি জানান, ছেলের প্রায়ই শরীর খারাপ থাকে এবং পেটের সমস্যা লেগেই থাকে। সরকারের এই উদ্যোগ তাকে স্বস্তি দিয়েছে।
টিকাদান কর্মসূচির আওতায় দেশের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই ডোজের টিকা দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ১৪টি উপজেলা ও থানায় টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।
‘আমরা সকাল থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করেছি। এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসছেন, নাম এন্ট্রি করে টিকা খেয়ে যাচ্ছেন। এক মাস পরে আবার সবাইকে এসে দ্বিতীয় ডোজ খেয়ে যেতে বলা হচ্ছে।’ — তাহমিনা আক্তার, টিকাকেন্দ্রের কর্মী
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কলেরা প্রতিরোধে গর্ভবতী নারী ছাড়া এক বা তার বেশি বয়সের সব নাগরিককে ইউরিকল প্লাস নামের টিকা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর থানার ১৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ জানান, প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলায় টিকাদান চলছে। পরে ধাপে ধাপে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মোট ১৪৪টি উপজেলায় এই টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে। দুই ধাপে দেওয়া এই টিকা কার্যকর থাকবে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও অন্যান্য উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা আক্তার, পলি সরকার, তাহমিনা আক্তার, অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ লাখ ৭৫ হাজার, ১৪টি উপজেলা, ১৭টি ওয়ার্ড, ১৯২টি কেন্দ্র, ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!